বিদ্যুতের মাসুল বৃদ্ধিকে সামনে রেখে জেলায় জেলায় সরকারি দফতর ঘেরাও করার পরিকল্পনা বিজেপির। বুধবার রাজ্য নেতৃত্বের এক বৈঠকে এমনই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

যদিও দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এ দিন বলেন, ‘‘সাধারণ মানুষই আন্দোলন করছেন। আমরা তাঁদের পাশে থাকব। কাট মানির ক্ষেত্রেও একই কাজ করা হয়েছে।’’

তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের অবশ্য কটাক্ষ, সাধারণ মানুষের আন্দোলনের পাশে থাকার নামে রাজ্যে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে বিজেপি। কাট মানির ক্ষেত্রেও তাই করেছে। এ বার বিদ্যুতের মাসুল বৃদ্ধি নিয়েও সেই একই কাজ করছে। তবে রাজ্যে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে প্রশাসন কড়া হাতে ব্যবস্থা নেবে।

বিষয়টিকে সামনে রেখে বিজেপির মহিলা মোর্চা আজ, বৃহস্পতিবারই রাস্তায় নামছে। দুপুরে বালিগঞ্জ ফাঁড়ি পর্যন্ত তাদের মিছিল করার কথা। পরে প্রতিবাদপত্র জমা দেওয়ার কথা সিইএসসির দফতরে।

বিজেপি সূত্রের খবর, এ দিনের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, রাজ্যে দলের সাংগঠনিক জেলা আরও ভাঙা হবে। যে সমস্ত জেলা সভাপতি লোকসভা নির্বাচনে এবং তার পরে সদস্য সংগ্রহ অভিযানে ‘কাজ দেখাতে’ পারেননি, তাঁদের অবিলম্বে সরিয়ে দেওয়া হবে। এখন কেবল দিলীপবাবুর সবুজ সংকেতের অপেক্ষা।

অন্য দিকে, এ দিন বিজেপির সরকারি কর্মচারি পরিষদ ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ অবিলম্বে প্রকাশ করার দাবিতে বিধাননগরে একটি মিছিল করে। বিকাশ ভবনে বেতন কমিশনের চেয়ারম্যান অভিরূপ সরকারের দফতরে একটি প্রতিবাদপত্রও দেওয়া হয়। কর্মচারি পরিষদের আহ্বায়ক দেবাশিস শীলের দাবি, বিকাশ ভবন সূত্রে তাঁরা জানতে পেরেছেন, এ মাসেই সুপারিশ সরকারের কাছে পেশ করা হবে।

দিল্লি সূত্রের খবর, আগামী মাসের গোড়ায় বাংলায় আসতে পারেন বিজেপির কার্যনির্বাহী সর্ব ভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। তিনি দেখা করতে পারেন রাজ্যে ‘রাজনৈতিক সন্ত্রাসে’ আক্রান্ত পরিবারগুলির সঙ্গে।

এবার শুধু খবর পড়া নয়, খবর দেখাও।সাবস্ক্রাইব করুনআমাদেরYouTube Channel - এ।