• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

দাবি না মিটলে ‘আন্দোলন’

TAXI-BUS
ছবি: সংগৃহীত।

সরকারের কাছে দাবি জানানোই সার! কোনও সুরাহা মিলছে না। বাধ্য হয়ে এ বার আন্দোলনের হুমকি দিল বাস, মিনিবাস, ট্যাক্সি, লাক্সারি ট্যাক্সির সংগঠনগুলি। তাদের তরফে সম্প্রতি সরকারকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগামী ৯ জানুয়ারির মধ্যে সরকার তাদের দাবি মেটাতে সদর্থক ভূমিকা না নিলে সংগঠনগুলি পরিষেবা বন্ধের কথা ভাবা শুরু করবে।

তবে সরকারকে চরমপত্র দিলেও এখনই ধর্মঘটের কথা ঘোষণা করতে চাইছে না সংগঠনগুলি। সংগঠনের এক নেতার কথায়, ‘‘তাড়াহুড়ো করে আমরা সিদ্ধান্ত নেব না। সরকারকে যথেষ্ট সময় দেওয়া হবে। তাতেও সরকার কোনও ব্যবস্থা না নিলে আমরা চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হব।’’

বাস, মিনিবাস, ট্যাক্সি এবং লাক্সারি সংগঠনগুলি সবচেয়ে বেশি যে দাবিতে সরব হয়েছে, তা হল কলকাতায় পুলিশি জুলুম। এক বাসমালিকের কথায়, ‘‘দৈনিক ৫০০ টাকাও লাভ থাকে না। অথচ, পুলিশ নানা অছিলায় শ’পাঁচেক টাকা প্রতি গাড়িতেই জরিমানা করে। এ ভাবে চলতে থাকলে এ রাজ্য থেকে পরিবহণ শিল্পটাই উঠে যাবে।’’ লাক্সারি ট্যাক্সি সংগঠনের এক নেতার বক্তব্য, ‘‘সরকারের কাছে অভিযোগ জানানোর পরে পুলিশি জুলুম তো কমেইনি, উল্টে আরও বেড়ে গিয়েছে। পুলিশ কাউকেই পরোয়া করছে না।’’

শুধু পুলিশি জুলুমই নয়। সংগঠনগুলি সরব ভাড়াবৃদ্ধি নিয়েও। তাদের দাবি, ২০১৪ সালে সরকার শেষ বার বাস ভাড়া বৃদ্ধির সময়ে একটি টাস্ক ফোর্স তৈরি করেছিল। কথা ছিল, জিনিসপত্রের দাম ওঠা-নামার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ভাড়া নির্ধারণ হবে। কিন্তু বাস্তবে টাস্ক ফোর্স কাজই করছে না বলে দাবি সংগঠনের নেতাদের। অবিলম্বে তাই ভাড়াবৃদ্ধির দাবি তুলেছেন সংগঠনের নেতারা।

তাঁদের দাবি, শেষ বারের মতো বেসরকারি বাস-মিনিবাসের ভাড়া বেড়েছে ২০১৪ সালে, ট্যাক্সির ২০১১ সালে। লাক্সারি ট্যাক্সির ভাড়া শেষ বার বে়ড়েছে ২০০৮ সালে। নেতাদের দাবি, এর মধ্যে জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে কয়েক গুণ। এর পরেও ভাড়াবৃদ্ধি না হলে পরিবহণ শিল্প বাঁচানো যাবে না।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন