• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

স্থগিতাদেশ উঠল শিক্ষক নিয়োগে

Calcutta High Court
ছবি: সংগৃহীত।

Advertisement

উচ্চ প্রাথমিকে কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষার শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার উপরে স্থগিতাদেশ জারি করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য। 

বিচারপতি এ দিন রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছেন, প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, লিখিত পরীক্ষা এবং ইন্টারভিউয়ে প্রাপ্ত নম্বর-সহ সবিস্তার মেধা-তালিকা ১৮ নভেম্বরের মধ্যে প্রকাশ করতে হবে। সেই তালিকা নিয়ে কোনও প্রার্থীর অভিযোগ থাকলে তিনি স্কুল সার্ভিস কমিশনে (এসএসসি) তা জানাতে পারবেন। যে-সব প্রার্থীকে নিয়োগ করার জন্য এসএসসি সুপারিশ করেছে এবং যাঁরা নতুন তালিকার ভিত্তিতে নিয়োগের সুযোগ পাবেন, ডিসেম্বর থেকে তাঁদের নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করতে হবে।

কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষার শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে মামলা করেন ‘ওয়েটিং লিস্ট’-এ থাকা ১৪২ জন প্রার্থী। তাঁদের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য ও দিব্যেন্দু চট্টোপাধ্যায় জানান, ২০১৬ সালে ওই দুই বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল বেরোয় গত বছরের ১২ ডিসেম্বর। দুই বিষয়ে দু’হাজারের কিছু বেশি আসন ফাঁকা রয়েছে। মামলার আবেদনে অভিযোগ করা হয়, এই নিয়োগের সংরক্ষণ নীতিতে স্বচ্ছতা নেই। তার ফলে তফসিলি জাতি ও জনজাতি সম্প্রদায়ের প্রার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছেন। যে-অনুপাতে (১:১.৪) প্রার্থীদের ইন্টারভিউয়ে ডাকা উচিত, তা মানা হয়নি। অন্যান্য প্রার্থীর চেয়ে বেশি নম্বর পাওয়া প্রার্থীর নাম মেধা-তালিকার নীচের দিকে রয়েছে। সেই অভিযোগ শুনে গত জানুয়ারিতে শিক্ষক নিয়োগের উপরে অন্তবর্তী স্থগিতাদেশ জারি করে হাইকোর্ট।

শুনানি চলাকালীন বেশ কিছু প্রার্থী মূল মামলায় যুক্ত হতে চেয়ে আবেদন করেন। তাঁদের আইনজীবী এক্রামুল বারি জানান, মামলার আবেদনে বলা হয়, এসএসসি কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যেই ওই সব প্রার্থীকে নিয়োগ করতে সুপারিশ করেছে। আদালত গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়ার উপরে স্থগিতাদেশ জারি করায় তাঁরা বিপদে পড়েছেন। পুজোর আগে দু’টি মামলার শুনানি শেষ হয় একসঙ্গেই। এ দিন বিচারপতি রায় ঘোষণা করেন।

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন
বাছাই খবর

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন