তিনি আইপিএস অফিসার। তাই, নারদ কাণ্ডে সৈয়দ মহম্মদ হুসেন মির্জার নামে চার্জশিট দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অনুমতি চাইল সিবিআই। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, দিল্লি থেকে সবুজ সঙ্কেত এলেই নারদ কাণ্ডে চূড়ান্ত চার্জশিট দেওয়া হবে।

পাশাপাশি রাজ্যের মুখ্যসচিব রাজীব সিংহ-র কাছেও এ নিয়ে মত চাওয়া হয়েছে বলে সিবিআই জানিয়েছে। কারণ, মির্জা এ রাজ্যের ক্যাডার। তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিট দিলে তার আগে রাজ্যের মত নেওয়া জরুরি।

এ দিকে, নারদ কাণ্ডে অভিযুক্তদের কণ্ঠস্বর রেকর্ড করে আমদাবাদে ফরেন্সিক ল্যাবরেটরিতে পাঠিয়েছে সিবিআই। নারদ ভিডিয়োতে তাঁদের যে কণ্ঠস্বর শোনা গিয়েছে,
তার সঙ্গে এই কণ্ঠস্বর মেলানো হবে। সিবিআই সূত্রের খবর, চূড়ান্ত চার্জশিটের আগে ওই রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।

নারদ কাণ্ডে এত দিন পর্যন্ত যত জন প্রভাবশালীর নাম উঠে এসেছে, তার মধ্যে একমাত্র মির্জাকেই গ্রেফতার করেছে সিবিআই। তদন্তকারীদের দাবি, মির্জাকে জেরা করে একমাত্র মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে এমন কিছু তথ্য প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে, যার ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যায়। মির্জার দাবি, মুকুলের নির্দেশেই তিনি নারদ-কর্তা ম্যাথু স্যামুয়েলের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন। মির্জাকে মুকুলের ফ্ল্যাটে নিয়ে গিয়ে সেই ঘটনার পুনর্নির্মাণও করেছে সিবিআই। মুকুল অবশ্য গোড়া থেকেই দাবি করেছেন যে, তিনি কোনও টাকা নেননি, তাঁকে স্টিং অপারেশনের ভিডিয়োতে টাকা নিতে দেখাও যায়নি। সিবিআই সূত্রে বলা হচ্ছে, মির্জাকে জেরা করে মুকুলের ব্যাপারে যে তথ্যপ্রমাণ মিলেছে, তা দিল্লির সদর দফতরে পাঠানো হয়েছে। এর পরে কী পদক্ষেপ করা হবে, তা তারাই ঠিক করবে।