সারা দেশে কাজ খোয়ানোর কালো ছায়া। তার মধ্যেই সরাসরি বা বিকল্প উপায়ে কী ভাবে কর্মসংস্থানের হার বাড়ানো যায়, তার সন্ধান পেতে শুক্রবার ১৫টি দফতরকে নিয়ে বৈঠক করলেন মুখ্যসচিব রাজীব সিংহ। ওই বৈঠকে প্রতিটি দফতরকে কর্মসংস্থান বাড়ানোর উপায় খুঁজতে বলা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রের খবর।

রাজ্যে বিধানসভার নির্বাচন ২০২১ সালে। প্রশাসনের অনেকেই মনে করছেন, গোটা দেশে কর্মসংস্থানের গতি যখন ধাক্কা খাচ্ছে, সেই সময়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ভোটের বছর আসার অনেক আগে এই প্রশ্নে দৃষ্টান্ত তৈরি করতে চাইছে। তাই এত আগে থেকেই কর্মসংস্থানের হার বাড়ানোর দিশা পেতে নির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরির কাজ শুরু হল।

মুখ্যসচিব এ দিন এই বিষয়ে কৃষি, অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ, অর্থ, মৎস্য, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, স্বাস্থ্য, তথ্য-সংস্কৃতি, ছোট-ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্প, তথ্যপ্রযুক্তি, সংখ্যালঘু, স্বনির্ভর গোষ্ঠী, পরিবহণ, নগরোন্নয়ন, সেচ এবং পর্যটন দফতরকে নিয়ে বৈঠক করেন। প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, ওই দফতরগুলির সঙ্গে আরও কয়েক দফায় বৈঠক করবেন তিনি। বৈঠক হবে অন্য দফতরগুলিকে নিয়েও। তার আগে প্রতিটি দফতরের অধীনে কী ভাবে এবং কত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যেতে পারে, তার একটা রূপরেখা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে কত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা গিয়েছে, তার একটা খতিয়ানও এ দিন নিয়েছেন মুখ্যসচিব। প্রশাসনের এক কর্তার কথায়, ‘‘কর্মসংস্থানের বিষয়টি মাথায় রেখে নির্দিষ্ট রূপরেখার ভিত্তিতে এগোতে চাইছে রাজ্য। সেই কাজটাই এ দিন শুরু হল।’’