রাজ্য সরকারকে না-জানিয়েই কলেজে কলেজে অতিথি শিক্ষক নেওয়া হয়। সরকার চাইছে না, এই ব্যবস্থা চালু থাকুক। নিয়োগের আগে উচ্চশিক্ষা দফতরকে জানাতে হবে বলে শুক্রবার জানান শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। 

অতিথি শিক্ষকেরা এ দিন শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। মন্ত্রী জানান, শিক্ষা দফতর অতিথি শিক্ষক নিয়োগ করেনি। বিভিন্ন কলেজ তাঁদের নিয়োগ করেছে, বেতনও দেয় কলেজ। ‘‘যে-সব কলেজ এই ভাবে নিয়োগ করছে, তারা এ বার বিরত হোক,’’ বলেন শিক্ষামন্ত্রী। এই বিষয়ে আজ, শনিবার সরকারি নির্দেশ জারি করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। পার্থবাবুর আশ্বাস, ইউজিসি-র নিয়ম অনুযায়ী যে-সব অতিথি শিক্ষকের যোগ্যতা আছে, তাঁদের স্থায়ীকরণের বন্দোবস্ত হচ্ছে। সিএসসি-র মাধ্যমে সেই প্রক্রিয়া শুরুও হয়েছে। যাঁদের যোগ্যতা নেই, তাঁদের কথাও ভাবা হচ্ছে। এ মাসেই এই শিক্ষকদের ডেকে নজরুল মঞ্চে সভা করা হবে।

পার্থবাবু জানান, কোন কলেজে কত শিক্ষক প্রয়োজন, সেটা তাঁরা দেখবেন। অতিরিক্ত শিক্ষক নেওয়ার প্রবণতা দেখা গিয়েছে অনেক ক্ষেত্রেই। এটা তাঁরা বন্ধ করবেন। 

শিশু শিক্ষা কেন্দ্র (এসএসকে), মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্র (এমএসকে)-এর শিক্ষকেরাও এ দিন শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। তাঁদের সংগঠনের সভাপতি মুকুলেশ বিশ্বাস বলেন, ‘‘আমরা চাই, এসএসকে-এমএসকে পঞ্চায়েত দফতর থেকে শিক্ষা দফতরের আওতায় আসুক। শিক্ষামন্ত্রী এই বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন।’’ মন্ত্রী জানান, ২০ জুলাই ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ওই শিক্ষকদের নিয়ে সভা হবে।