গর্বের অবস্থানে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। ভারতের রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে সেরার তকমা দেওয়া হল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়কে। জানাল শিক্ষা জগতের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সমীক্ষক সংস্থা ‘কিউএস’। ২০২০ সালের ‘কিউএস র‌্যাঙ্কিং’ প্রকাশিত হয়েছে আজ। তাতেই এই শিরোপা দেওয়া হয়েছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়কে। ঠিক পরের স্থানটিই পেয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়।

গোটা বিশ্বের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকেই নিজেদের সমীক্ষার আওতায় আনে কিউএস। প্রতি বছর প্রতিষ্ঠানগুলির মান অনুযায়ী র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করা হয়। সাম্প্রতিকতম সমীক্ষা অর্থাৎ ‘কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিং ২০২০’ বলছে, ভারতের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে একাদশ স্থানে। এই শহরেরই আর এক বিশ্ববিদ্যালয় যাদবপুর রয়েছে দ্বাদশ স্থানে।

তবে কিউএস-এর প্রকাশ করা তালিকা বলছে, ভারতের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আগে রাখা হয়েছে ১০টিকে, সেগুলি সবই কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান বা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়। আইআইটি, আইআইএসিগুলিও তার অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে ভারতে এখন সেরা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ই। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় সেই তালিকায় দ্বিতীয়।

আরও পড়ুন: কলকাতায় অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, নোবেলজয়ীকে শুভেচ্ছা জানাতে বিমানবন্দরে জনজোয়ার

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান যে শুধু ভারতের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যেই উল্লেখযোগ্য হিসেবে উঠে এল, তা কিন্তু নয়। কিউএস র‌্যাঙ্কিং অনুযায়ী আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিং-এ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এখন ২৭তম স্থানে।

যে সংস্থা এই সমীক্ষা চালিয়েছে, সেই কিউএস র‌্যাঙ্কিং হল শিক্ষাক্ষেত্রে গোটা বিশ্বের সবচেয়ে মান্য সমীক্ষকদের অন্যতম। কিএস র‌্যাঙ্কিংকে বিশ্বের সেরা তিনটি অ্যাকাডেমিক র‌্যাঙ্কি-এর একটি হিসেবে ধরা হয়। এ হেন সমীক্ষকের কাছ থেকে যে স্বীকৃতি পেল প্রায় ১৬২ বছরের পুরনো বিশ্ববিদ্যালয়টি, তা নিয়ে গর্বের যথেষ্ট কারণ রয়েছে বলে মনে করছে গোটা রাজ্যের শিক্ষা মহল।

আরও পড়ুন: ‘নির্জনতার সুযোগ নিয়ে গায়ে হাত দিয়েছিলেন’, যৌন হেনস্থায় অভিযুক্ত মহীনের এক ‘ঘোড়া’ রঞ্জন ঘোষাল

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘‘এই স্বীকৃতিতে আমরা সবাই খুব খুশি। আমাদের শিক্ষকদের নিয়ে আমরা গর্বিত।’’

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এই স্বীকৃতি পাওয়ায় রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কেও তাঁরা অভিনন্দন জানিয়েছেন।