কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর চিঠিতে লেখা ‘গোর্খাল্যান্ড’ শব্দটি নিয়ে রবিবার মুখ খুললেন দার্জিলিঙের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা। তিনি বলেন, ‘‘যখন দিদি গোর্খাল্যান্ড নিয়ে চুক্তি করেন, তখন তো কিছু বলা হয় না!’’

তাঁর দাবি, দার্জিলিঙে ৩৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে কোনও কথা হয়নি। দিল্লিতে দার্জিলিঙের যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় চিন্তিত হয়ে দিল্লি পুলিশের ‘উত্তর-পূর্ব’ বিভাগকে বিষয়টি দেখার আর্জি জানিয়েছিলেন তিনি। তবে চিঠিতে ‘লাদাখ’ শব্দটি কেন আছে, তার ব্যাখ্যা দেননি তিনি।

বিমল গুরুংয়ের গোর্খাল্যান্ডের দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘গণতন্ত্রে কেউ প্রস্তাব, দাবি রাখতেই পারেন। উনিও প্রস্তাব রেখেছেন। সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেছি, সংবিধানের ৩৭৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আলোচনা শুরু করতে হবে।’’

পাহাড় তৃণমূলের সভাপতি লালবাহাদুর রাই জানান, জিটিএ একটি ত্রিপাক্ষিক চুক্তি। তাতে কেন্দ্রও আছে। চুক্তিতে গোর্খাল্যান্ডের কথা বলা নেই। আছে গোর্খাদের কথা। গোর্খা একটি জাতির নাম। তাই গোর্খা আর গোর্খাল্যান্ড এক নয়।