• কিশোর সাহা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

এলেন না গুরুঙ্গ, ব্যস্ত নয় কেউই

Bimal Gurung

বিমল গুরুঙ্গের অডিও-ভিডিও বিবৃতিতে ইদানীং আর তাতছে না পাহাড়। সম্প্রতি বন্‌ধের ডাকেও সাড়া দেননি দার্জিলিঙের মানুষ। এ বার পোস্টার সেঁটে তাঁর পাহাড়ে ফেরার ঘোষণা হলেও তাতে বিশেষ আমল দিল না কেউই। উল্টে, বিনয় তামাঙ্গপন্থীরা এই নিয়ে কটাক্ষই করেছেন। আবার প্রথমে কিছুটা শঙ্কিত হোটেল মালিক, হকার বা সরকারি চাকুরেরা বিষয়টিকে ‘স্রেফ ফাঁকা আওয়াজ’ বলে এ দিন উড়িয়ে দিয়েছেন। ফলে গুরুঙ্গের ফেরার ডাক সত্ত্বেও বিন্দুমাত্র টোল খেল না পাহাড়ের জনজীবন।

বিনয় তামাঙ্গ, অনীত থাপাও মনে করেন, ‘‘কাজকর্ম শিকেয় তুলে দিয়ে শুধু হিংসায় আর সায় নেই পাহাড়ের। তাই অডিও-ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে বাজার ধরার চেষ্টা বিফলে গিয়েছে।’’ তাঁদের আরও বক্তব্য, ‘‘খুচখাচ পোস্টার সেঁটে গোলমাল পাকানোর চেষ্টাও পাহাড়বাসী আর তাই পাত্তা দিচ্ছে না। বরং তা হাসির খোরাক হচ্ছে।’’ তাঁদের দাবি, পাহাড়ে জোরকদমে একশো দিনের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। ডিসেম্বরের দার্জিলিং ফেস্টিভালের প্রস্তুতিও তাঁরা শুরু করে দিয়েছেন। তাঁদের কথায়, তাই এখন পাহাড়বাসী আর পিছনে ফিরে তাকাতে রাজি নন।

মোর্চার খবর, পরিস্থিতি আঁচ করে গোপন ডেরায় থাকা মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রোশন গিরিও তাঁর তৈরি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে নতুন বিবৃতি দেননি। বরং, সকালে ‘গুড মর্নিং’ লিখেই আড়ালে চলে গিয়েছেন। ফোনও বেজে গিয়েছে। সুকনার গুরুঙ্গপন্থী মোর্চা নেতা-কর্মীদের কয়েক জনও জানান, ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের দিন দ্রুত ঘোষণা না হলে মোর্চা সভাপতির পাহাড়ে ফেরাটা ধীরে ধীরে দুঃসাধ্য হয়ে যাবে। তাই তাঁরাও নানা মাধ্যমে বিনয়-অনীতের অনুগামীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। পোস্টার-রাজনীতি আগে পাহাড়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। পোস্টার সেঁটে বন্‌ধ ডাকতেন সুবাস ঘিসিঙ্গ। ঘিসিঙ্গকে হটানোর ডাক পোস্টার সেঁটেই দেন গুরুঙ্গ। বিনয়-অনীতরাও ‘পাহাড়ে বন্‌ধ চাই না’, এমন আহ্বান ছড়িয়েছিলেন পোস্টার সেঁটেই। ফলে, শুক্রবার সকালে কে বা কারা দার্জিলিং, কালিম্পঙে পোস্টার দিয়ে ‘বিমল গুরুঙ্গ ৪ নভেম্বর পাহাড়ে ফিরবেন’ বলে ঘোষণা করেছিল, তা খুঁজে বের করতে এখন মরিয়া পুলিশ।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন