• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

পোড়া নথিতে লোপাট করা তথ্যের খোঁজ

Burnt Papers
পোড়া কাগজের খোঁজ: নওদার মধুপুরে। নিজস্ব চিত্র

Advertisement

বন্ধ চারকোল কারখানার কোন ঘেঁষে কলাবাগান, এলোমেলো আগাছার ঝোপ আর, বর্ষায় হুহু করে বেড়ে ওঠা আগাছা।

বুধবার সেই কারখানায় পা রেখে সিআইডি’র গোয়েন্দারা সেই কলাবাগান লাগোয়া ঝোঁপেই খুঁজে পেলেন আধ পোড়া এক গোছা কাগজ। এ দিন, বিকেলে সিআইডি’র গোয়েন্দাদের সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় থানার পুলিশ। ঝোপের দিকে এগিয়ে যেতেই তাঁদের চোখে পড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বেশ কিছু কাগজ। কি এমন কাগজ যা পুড়িয়ে ফেলতে হল?

সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, কাগজে যে বেশ কিছু নথি ছিল এবং তা পুড়িয়ে পেলা হয়েছে, চিনাদের জেরা করেই তার আভাস পেয়েছিল সিআইডি। এ দিন কারখানায় গিয়ে সিআইডি সটান চলে গিয়েছিল বেড়ার ধারে কলা বাগানের কাছে।  তার পর, প্রমাণ লোপাটের জন্য তড়িঘড়ি তা পুড়িয়ে ফেলা হয়। পুলিশের অনুমান, কারখানার মেশিন সরিয়ে নেওয়ার রাতে তুষার অগ্রবালের তত্ত্বাবধানেই ওই কাজ হয়েছে।

এ দিন, সিআইডির হাতে উঠে এসেছে আরও এক জন বিত্তবানের পরিচয়। মধুপুরে এলে চিনাদের গাড়ি চালাত নওদার ডাঙাপাড়ার যুবক আমানুল। সামান্য গাড়ি চালক থেকে এলাকার পরিচিত ‘বড়লোক’ হয়ে উঠতে তার লেগেছে মেরেকেটে বছর দুয়েক। গত ২৯ জুন আমানুলের গাড়িতে করেই পাঁচ চিনা নাগরিক গিয়েছিল কলকাতা বিমানবন্দরে। সেই রাতেই প্রায় ৪০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক ধরা পরে কলকাতা স্টেশন থেকে। তবে, ওই ঘটনার পর থেকেই আমিনুলকে পাওয়া যাচ্ছে না।

আমিনুলের সঙ্গে চিনাদের কি করে যোগাযোগ হল। চিনাদের জন্য কি কি কাজ করত আমিনুল। তার জন্য কত পারিশ্রমিক পেত তাও খতিয়ে দেখছে গোয়েন্দারা। এ দিন, উত্তরবঙ্গের চ্যাংরাবান্দায় মুখ্যমন্ত্রীও নওদার ঘটনা নিয়ে দুশ্চিন্তা প্রকাশ করেছেন। তিনি যে স্থানীয় পুলিশের গয়ংগচ্ছ মনোভাবে ক্ষুন্ন স্পষ্ট করে দিয়েছেন তা-ও। মুখ্যমন্ত্রী এ দিন বলেন, ‘‘ইটভাটার মধ্যে বাইরে থেকে আসা লোকজন মাদকের ব্যবসা করছে, এটা স্থানীয় থানার জানা উচিত ছিল। জানা উচিত ছিল প্রশাসনেরও। বিডিওদের নজর রাখতে হবে।’’

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন