এ বার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের মুখোমুখি হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্র। সোমবার তাঁকে প্রায় চার ঘণ্টা জেরা করেন ইডি অফিসারেরা। এর আগে সারদা-কাণ্ডে মদন মিত্রকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। তবে তাঁকে রোজভ্যালি-কাণ্ডে ইডি-র জেরা মুখে পড়তে হয়নি। এ দিন জেরার বিষয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার তরফে কোনও মন্তব্য করা না হলেও, আর্থিক লেনদেন নিয়ে তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।

অন্য দিকে সারদা-কাণ্ডে তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়কে আগামী শুক্রবার তলব করা হয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর। সারদা-কাণ্ডে আর্থিক দুর্নীতির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তলব করা হয়েছে। শতাব্দী রায় সারদার একটি কোম্পানির ‘ব্রান্ড অ্যাম্বাসাডর’ ছিলেন বলে অভিযোগ। কত টাকার চুক্তি হয়েছিল, আদৌ তিনি ওই কোম্পানির ‘ব্রান্ড অ্যাম্বাসাডর’ ছিলেন কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হবে।

কিছু দিন আগেই সারদা কাণ্ডে শুভাপ্রসন্নকে তলব করেছিল সিবিআই। জেলে গিয়ে সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন এবং দেবযানী মুখোপাধ্যায়কে জেরাও করতে চান কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এক দিকে যখন সারদা কাণ্ডে সক্রিয় হয়ে উঠেছে সিবিআই। তখন অন্য দিকে ইডি-ও সারদা ও রোজভ্যালি কাণ্ডে তৎপর হয়ে উঠেছে।

আরও পড়ুন: জামিনের পর খুনের চেষ্টার ধারা সংযুক্তির আবেদন পুলিশের, ফের গ্রেফতার হতে পারে অভিযুক্তরা?