টাকার অভাবে চিকিৎসা না করাতে পেরে স্বামীকে হারিয়েছেন মাত্র ২৩ বছর বয়সে। তার পরে আনাজ বিক্রি আর অন্যের বাড়িতে কাজ করে কোনও ক্রমে বেঁচে থাকা। এর মধ্যেই কঠোর পরিশ্রম ও জেদে গড়ে তুলেছেন গরিবের জন্য হাসপাতাল। বেহালার হাসপুকুরে সেই ‘হিউম্যানিটি হাসপাতাল’ গড়ে তোলার ঘটনাকে সম্মান জানিয়ে এ বার পদ্মশ্রী সম্মান দেওয়া হল ৭৫ বছর বয়সি সুভাষিনী মিস্ত্রিকে।

শুধু তিনিই নন, পদ্মশ্রী প্রাপকদের মধ্যে রয়েছেন স্বাধীনতা সংগ্রামী, ৯৯ বছর বয়সি সুধাংশু বিশ্বাস। তিনিও গরিবের সেবাকে জীবনের মূলমন্ত্র করেছেন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার গ্রামে নিখরচায় স্কুল, অনাথ আশ্রম চালান তিনি। গড়ে তুলেছেন চিকিৎসার ব্যবস্থাও। সুন্দরবনে রামকৃষ্ণ সেবাশ্রম তাঁর হাতেই তৈরি। স্বাধীন ভারতে তাঁর অবদানকে সম্মান জানিয়ে পদ্মশ্রী দেওয়া হয়েছে এ বার।

পশ্চিমবঙ্গ থেকে সংগীতে বিজয় কিচলু, সাহিত্যে কৃষ্ণবিহারী মিশ্র, বিজ্ঞানে অমিতাভ রায়কেও পদ্মশ্রী দেওয়া হয়েছে। পদ্মশ্রী প্রাপকদের তালিকায় তিন জন মুসলিম ব্যক্তিত্ব। লখনউয়ের আনোয়ার জালালপুরি উর্দুতে গীতা অনুবাদ করেছেন। কর্নাটকের ইব্রাহিম সুতার ভজন গায়ক। নউফ মারওয়াই সৌদি আরবের যোগ প্রশিক্ষক। মহেন্দ্র সিংহ ধোনি, পঙ্কজ আডবাণীকে কে পদ্মভূষণ দেওয়া হয়েছে। পদ্মবিভূষণ পেয়েছেন সঙ্গীতশিল্পী ইলাইয়ারাজা ও গুলাম মুস্তাফা খান এবং লেখক পরমেশ্বরন পরমেশ্বরন।