মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের ‘পাবলিক গ্রিভ্যান্স সেল’ বা অভিযোগ সেলে আসা অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট দফতর বা আধিকারিক কী ব্যবস্থা নিয়েছেন, সাত দিনের মধ্যে সেই ‘অ্যাকশন টেকন রিপোর্ট’ তৈরি করে জমা দিতে হবে। এই নির্দেশিকা জারি করেছেন মুখ্যসচিব মলয় দে। 

৬ অগস্ট রাজ্যের সব দফতরের প্রধান সচিব এবং পুলিশ-প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের উদ্দেশে জারি করা ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সরকারি প্রকল্পের কাজ এবং রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষের অভিযোগ খতিয়ে দেখার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ে (সিএমও) ‘মনিটরিং অব প্রোগ্রাম ইমপ্লিমেন্টেশন অ্যান্ড গ্রিভ্যান্স সেল’ খোলা হয়েছে। দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য অভিযোগগুলি সংশ্লিষ্ট দফতর, জেলাশাসক, পুলিশ কমিশনারেটের প্রধান এবং পুলিশ সুপারদের কাছে পাঠানো হচ্ছে। 

প্রশাসনের কর্তাদের একাংশ মনে করছেন, মুখ্যসচিবের এই নির্দেশের ভাল ও খারাপ, দু’টি দিকই আছে। এক দিকে জন-অভিযোগের নিষ্পত্তি সুনিশ্চিত হবে, অন্য দিকে অভিযোগ নিষ্পত্তির বিষয়টিকে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়ায় অন্য কাজে গতি হ্রাস পাবে।

মুখ্যসচিব তাঁর নির্দেশিকায় লিখেছেন, মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগ জনগণের মধ্যে বিপুল সাড়া ফেলেছে। রোজ ওই সেলে প্রচুর অভিযোগ জমা পড়ছে। এই অভিযোগগুলি সংশ্লিষ্ট দফতর এবং জেলায় পাঠানো হচ্ছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, প্রতিটি অভিযোগকে যেন সংশ্লিষ্ট দফতর, ডিরেক্টরেট বা ফিল্ড অফিসারেরা সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে দেখেন। অভিযোগের নিষ্পত্তিতে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করেছে, তা দ্রুত সিএমও-কে জানাতে হবে।’ সব দফতরের প্রধান, ডিএম এবং পুলিশ-প্রশাসনের কর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সিএমও-য় জমা পড়া রিপোর্ট যেন যথাযথ হয়। ‘অ্যাকশন টেকন রিপোর্ট’ পাঠাতে হবে শুধু ই-মেলে।