ফের বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে হাতির মৃত্যু। বুধবার ভোরে এই ঘটনা ঝাড়গ্রামের সাতবাকি গ্রামের। বিনপুরের মালাবতী জঙ্গলের কাছেই এই গ্রাম। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছে, একটি বুনো হাতির পালকে বনকর্মীরা গ্রাম থেকে তাড়ানোর সময়ই দুর্ঘটনা ঘটে।

বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাত থেকেই শুরু হয়েছিল হাতি তাড়ানোর পর্ব। কুড়িটি হাতির একটি দলকে কুশবাড়ি জঙ্গল থেকে বেলপাহাড়ির দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পথে, সাতবাকি গ্রামে ঝুলছিল বিদ্যুৎবাহী হাইটেনশন তার। ১১ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎবাহী ওই তারেই তড়িদাহত হয়ে মৃত্যু হয় তিনটি পূর্ণবয়স্ক হাতির।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, গত কয়েক দিন ধরেই ছেঁড়া তারের ওই অংশ ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। বহু বার আবেদনের পরেও বিদ্যুৎ দফতর কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। বন্ধ করা হয়নি ওই তারে বিদ্যুৎ সরবরাহ। ফলে শাবকরা চলে গেলেও উচ্চতা বেশি হওয়ায় পূর্ণবয়স্ক হাতিরা মৃত্যুফাঁদ এড়াতে পারেনি। বিদ্যুৎবাহী তারের স্পর্শে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাদের।

আরও পড়ুন: সব্যসাচীতে অনাস্থায় স্বাক্ষর মিলেছে ৩৫ জনের, বৈঠক ১৮ জুলাই

আরও পড়ুন: পুবে ‘অধিকার’-ই শেষ কথা, তবু স্বপ্ন বিজেপির

খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও বনদফতরের কর্মীরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সরকারি উদাসিনতার কারণেই প্রা‌ণ গেল হাতিগুলির। প্রতিবাদে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন তাঁরা। বিদ্যুতের ছোবলে হাতির মৃত্যু জঙ্গলমহলে দীর্ঘ দিন ধরেই হয়ে আসছে। এক বছর আগে ঠিক একই ভাবে মেদিনীপুর সদর ব্লকের নেপুরা গ্রামে ঝুলন্ত বিদ্যুৎবাহী তারের স্পর্শে দাঁতালের মৃত্যু হয়েছিল।