• নিজস্ব প্রতিবেদন
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

পাঁচিল-কাণ্ডে স্থগিতাদেশ দিল না হাইকোর্ট

Visva Bharati
ফাইল চিত্র

শান্তিনিকেতনের পৌষমেলার মাঠ ঘেরার কাজের উপরে স্থগিতাদেশ চেয়ে রাজ্যের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে কোনও নির্দেশ দিল না কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি টিবি রাধাকৃষ্ণণ এবং বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চে ওই মামলার শুনানি ছিল। সূত্রের খবর, আজ, বুধবারফের এই মামলার শুনানি। তার পরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে। অন্য দিকে, বিশ্বভারতীর পাঁচিল-কাণ্ডের জট ছাড়াতে হাইকোর্ট গঠিত চার সদস্যের কমিটি থেকে এ দিনই অব্যাহতি চেয়েছেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত। 

সোমবার থেকে ফের শুরু হয়েছে শান্তিনিকেতনের পৌষমেলার মাঠ ঘেরার কাজ। ফের শুরু হয়েছে প্রতিবাদও। তবে, মেলামাঠ ঘেরার প্রতিবাদ গত ১৭ অগস্ট যে ধ্বংসাত্মক ছবি দেখেছিল শান্তিনিকেতন, এ দিন তার কিছুই ছিল না। যদিও প্রস্তুত ছিল বীরভূম জেলা পুলিশ-প্রশাসন। নির্মীয়মাণ পাঁচিল লাগোয়া রাস্তায় রাখা ছিল জলকামানও। তবে, এ দিন শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের রাস্তায় হেঁটেছে ‘পৌষমেলার মাঠ বাঁচাও কমিটি’। শান্তিনিকেতন দমকল অফিসের সামনে রাস্তার উপরে অস্থায়ী মঞ্চ তৈরি করে রবীন্দ্রসঙ্গীত, বাউলের মধ্য দিয়ে মাঠ ঘেরার প্রতিবাদ জানান কয়েকশো মানুষ। ঘণ্টা দেড়েকের এই কর্মসূচিতে ছিলেন বোলপুরের সংস্কৃতিকর্মী, বাউল শিল্পী, ব্যবসায়ী সমিতির কিছু সদস্য ও স্থানীয় অধিবাসীরা।  এ দিন আদালতে রাজ্য জানায়, বিক্ষুব্ধ জনতার হাত থেকে আইনশৃঙ্খলা বাঁচাতে সমস্যায় 

পড়ছে পুলিশ। এ দিন বিক্ষোভ সামলানো গিয়েছে। কাল কী হবে নিশ্চিত নয় পুলিশ। সূত্রের খবর, পাঁচিল তোলার মামলায় ২০০৫ সালে শান্তিনিকেতন সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের একটি পর্যবেক্ষণের বিষয়েও হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চায় রাজ্য। ওই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, শান্তিনিকেতনের যে মুক্ত পরিবেশ, তা অন্য কোনও কিছুর সঙ্গেই তুলনীয় নয়। শান্তিনিকেতনের সেই ঐতিহ্য  রক্ষা করা সকলের উচিত।  ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলা নিয়ে নিজেদের আরও একটি পর্যবেক্ষণের কথা ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে। তাদের মতে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাবনা এবং শান্তিনিকেতন ইতিহাস গুরুত্বপূর্ণ। পৌষমেলার একটি ইতিহাস আছে, বিশ্বভারতী চাইলেই তা বন্ধ করতে পারে না।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন