রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী হুমায়ুন কবীর সোমবার দিল্লিতে যোগ দিলেন বিজেপি-তে। আর এ দিনই কলকাতায় বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ দাবি করলেন, ‘’৩০ জুন পার হলে জুলাই মাসে এমন এমন লোক আমাদের দলে যোগ দেবেন যে, দিদিমণির হার্ট অ্যাটাক হয়ে যাবে!’’ তবে কারা বিজেপি-তে যোগ দেবেন, তা স্পষ্ট করেননি দিলীপবাবু। তাঁর বক্তব্য, ‘‘সময় হলে জানতে পারবেন।’’

হুমায়ুন যে বিজেপি-তে যোগ দেবেন, তা বেশ কিছু দিন আগেই জানিয়েছিলেন দলীয় নেতৃত্ব। অবশেষে এ দিন বিজেপি-র সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়র উপস্থিতিতে হুমায়ুন ওই দলে যোগ দেন। কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে তৃণমূল, সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস হয়ে তিনি বিজেপি-তে এলেন। হুমায়ুন বলেন, ‘‘আগামী ৭ থেকে ১০ জুলায়ের মধ্যে রেজিনগর রেলস্টেশন সংলগ্ন মাঠে বিজেপি-র সভা হবে। সেখানে আমি নিজের বক্তব্য জানাব।’’ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর প্রতি তাঁর অনুরোধ, ‘‘তৃণমূলের সঙ্গে লড়াই করতে গেলে বিজেপিতে আসুন।’’

কলকাতায় এ দিনই মেয়ো রোডে গাঁধী মূর্তির নীচে সন্ত্রাসের প্রতিবাদে ও গণতন্ত্রের দাবিতে অবস্থান সমাবেশে দিলীপবাবু দাবি করেন, ‘‘পুরনো তৃণমূল কর্মীরা দুঃখে আছেন। তাঁদের অনেকেই বিজেপি-তে যোগ দিতে চান। কিন্তু তাঁদের একটাই আশঙ্কা। নিরাপত্তা কে দেবে? বিজেপি-তে এলেই তো মিথ্যা মামলায় জীবন জেরবার করে দেওয়া হবে!’’ শাসক দল অবশ্য দিলীপবাবুর ‘জুলাই হুঁশিয়ারি’কে আমলই দিচ্ছে না। তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “দিলীপ ঘোষের সব কথার জবাব আমাদের দিতে হবে নাকি! অত গুরুত্ব ওঁর নেই!”

আরও পড়ুন: জমির দাম, স্ট্যাম্প ডিউটির ফাঁক মেটাতে কমিটি

পঞ্চায়েত ভোটের আগে এবং পরে পুরুলিয়ার বলরামপুরে মৃত তিন বিজেপি কর্মীর বাড়ি আজ, মঙ্গলবার যাওয়ার কথা কৈলাসের। কাল, বুধবার কলকাতায় আসার কথা বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের। দলের রাজ্য ও জেলা নেতৃত্ব, আইটি এবং সোশ্যাল মিডিয়া সেল ও বিদ্বজ্জনেদের সঙ্গে বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে তাঁর।