রাজ্যের বিধায়ক এবং মন্ত্রীদের ভাতায় বৈষম্যের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার বিধানসভায় সরব হল কংগ্রেস এবং বাম। প্রাক্তন বিধায়কদের আর্থিক দুর্দশা ঘোচানোর দাবিও তোলে তারা। সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা এবং ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ বকেয়া রেখে বিধায়ক-মন্ত্রীদের ভাতা বাড়ানো অসমীচীন বলে মন্তব্য করে বিরোধীরা।

বিধানসভায় এ দিন ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল স্যালারিজ অ্যান্ড অ্যালাওয়েন্সেস (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০১৯’ এবং ‘দ্য বেঙ্গল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলি (মেম্বারস ইমোলিউমেন্টস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০১৯ পাশ হয়। ওই দু’টি বিলের আলোচনায় প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের সচেতক মনোজ চক্রবর্তী বলেন, ‘‘দেশের কোথাও মন্ত্রী এবং বিধায়কদের ভাতায় পার্থক্য নেই। হয় কমিয়ে, নয়তো বাড়িয়ে মন্ত্রী এবং বিধায়কদের ভাতা সমান করতে হবে। প্রাক্তন বিধায়কদের করুণ দশা ঘোচানোর কথাও ভাবা দরকার।’’ সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ারও দাবি জানান তিনি। একই সুরে বাম পরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, ‘‘সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা বকেয়া রেখে এবং প্রাক্তন বিধায়কদের ভাতা নিয়ে সিদ্ধান্ত না নিয়ে বর্তমান মন্ত্রী, বিধায়কদের ভাতা বাড়ানো ঠিক নয়।’’

জবাবি ভাষণে পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বিরোধীদের বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী সব বিষয়ই মাথায় রাখেন।’’ বাম বিধায়কদের ভাতা দলকে দিয়ে দিতে হয়। কী ভাবে তাঁরা জীবন চালান, পার্থবাবু এই মন্তব্য করার সঙ্গে সঙ্গে সিপিএমের আমজাদ হোসেনের মন্তব্য, ‘‘আমাদের বিরুদ্ধে তো কাটমানির অভিযোগও নেই।’’ পার্থবাবুর জবাব, ‘‘যারা কাটমানি দিয়েছে এবং নিয়েছে— প্রমাণ থাকলে দু’পক্ষের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর যারা মিথ্যা অভিযোগ করে আইন হাতে তুলে নিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা হবে।’’

এবার শুধু খবর পড়া নয়, খবর দেখাও।সাবস্ক্রাইব করুনআমাদেরYouTube Channel - এ।