পড়ুয়াদের ব্যাগে বিতর্কিত পত্রিকা
একাধিক অভিভাবক জানান, গত ১৮ এপ্রিল পড়ুয়াদের ব্যাগ থেকে একটি করে চার পাতার পত্রিকা পাওয়া যায়। পড়ুয়ারা তাদের অভিভাবকদের জানিয়েছে, স্কুল থেকেই এই পত্রিকা দেওয়া হয়েছে।
BJP

ছবি: পিটিআই।

ভোটের আগে স্কুলপড়ুয়াদের হাতে ধর্মীয় প্রচারপত্র তুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। বীরভূমের তারাপীঠের কাছে তারাপুর সরস্বতী শিশু মন্দিরে এই ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকেরা। 

একাধিক অভিভাবক জানান, গত ১৮ এপ্রিল পড়ুয়াদের ব্যাগ থেকে একটি করে চার পাতার পত্রিকা পাওয়া যায়। পড়ুয়ারা তাদের অভিভাবকদের জানিয়েছে, স্কুল থেকেই এই পত্রিকা দেওয়া হয়েছে। কৌশিক মনি, অভিজিৎ চৌধুরীদের মতো কয়েকজন অভিভাবক বলেন, ‘‘ওই পত্রিকায় লেখা আছে, ভোট তাঁকেই দিন যিনি বাংলাদেশি হিন্দুদের ভারতে থাকার জন্য নাগরিকত্ব বিল পাশ করতে সাহায্য করবেন।’’ ছোট শিশুদের হাতে ওই পত্রিকা তুলে দেওয়া ঠিক হয়নি বলে তাঁদের দাবি। ভোটের আগে কোনও রাজনৈতিক দলের ধর্ম বিদ্বেষী প্রচারে শিশুদের স্কুলকে মাধ্যম করা নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন তাঁরা। একদল অভিভাবক রামপুরহাটের মহকুমাশাসককে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। মহকুমাশাসকের দফতর থেকে জানানো হয়েছে, ওই অভিযোগ নথিভুক্ত হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে খোঁজখবর নেওয়া শুরু হয়েছে। তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান সুকুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘স্কুল এবং অভিভাবকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে উত্তেজনা রয়েছে।’’

শুক্রবার বিকেলে ওই স্কুলের কয়েক জন পড়ুয়ার বাড়িতে যান নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকেরা। তাঁরা পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেন। নির্বাচনী বিধিভঙ্গের বিষয়টিও খতিয়ে দেখার কথা জানান তাঁরা। অভিভাবকের কথায়, ‘‘আমাদের ছেলেরা স্কুলে গিয়েছিল। ক্লাস চলাকালীন ওদের ব্যাগে ওই পত্রিকা গুঁজে দেওয়া হয়। কিন্তু ওরা তো এই লেখাগুলোর অর্থ বোঝে না। তার পরেও কেন এটা করা হল সেটাই আশ্চর্যের।’’ যদিও স্কুলের প্রধানশিক্ষক কৃপাসিন্ধু মণ্ডল বলেন, ‘‘স্কুলের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। স্কুল থেকে কেউ এই ধরনের পত্রিকা দেয়নি। কমিশনকে জানিয়েছি।’’ 

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের ফল

আপনার মত