অনেক চমক অপেক্ষা করছে, দল বদলে বলছেন অর্জুন
একের পর এক লক্ষ্যভেদ করেছেন তিনি। সে পঞ্চায়েত ভোট হোক, বা পুরোভোট— লক্ষ্য ছুঁতে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে অর্জুনই ছিলেন পুরভাগে।
arjun singh

অর্জুন সিং।

একের পর এক লক্ষ্যভেদ করেছেন তিনি। সে পঞ্চায়েত ভোট হোক, বা পুরোভোট— লক্ষ্য ছুঁতে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে অর্জুনই ছিলেন পুরভাগে। 

এ বার আরও এক লক্ষ্য ছুঁতে চেয়েছিলেন ভাটপাড়ার বিধায়ক অর্জুন সিংহ। সেই লক্ষ্য হল: ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের টিকিট পাওয়া। তাতে সফল না হয়ে দলই বদলে ফেললেন চার বারের বিধায়ক তথা ভাটপাড়ার পুরপ্রধান। 

আপাতত ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল জুড়ে এটাই আলোচনার অন্যতম বিষয় বাহুবলী এই নেতার দলত্যাগ। অর্জুন সিংহের ছেলে ভাটপাড়া পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর। তিনিই বা কী করবেন? বাবার মতো গেরুয়া শিবিরে নাম তুলবেন, নাকি মুকুল পুত্রের মতো তিনিও তৃণমূলে রয়ে যাবেন? ঘনিষ্ঠ মহলে অর্জুন বলছেন, ‘‘অপেক্ষা কর। অনেক চমক অপেক্ষা করেছে।’’

রাজনৈতিক পরিবার থেকেই অর্জুনের উত্থান। ক্রমে শ্রমিক আন্দোলন থেকে ধীরে ধীরে মূল রাজনীতি। তারও পরে পরে বাহুবলী হিসেবে পরিচিত হন। বাম আমলে কার্যত একার কৃতিত্বে শিল্পাঞ্চলে ঘাস ফুল ফুটিয়েছিলেন হিন্দিভাষী এই নেতা।

অর্জুনের বাবা সত্যনারায়ণ সিংহ ছিলেন ভাটপাড়ার বিধায়ক। উত্তর ২৪ পরগনার কংগ্রেসের জনপ্রিয় নেতা সত্যনারায়ণের ছেলে অর্জুন অল্প বয়সেই রাজনীতিতে জড়ান। উচ্চমাধ্যমিকের পরে নৈহাটির ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র কলেজে ভর্তি হলেও সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িয়ে অল্পদিনের মধ্যেই লেখাপড়ায় দাঁড়ি টানেন। চটকল-সহ বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিক আন্দোলন দিয়েই রাজনীতিতে হাতেখড়ি তাঁর।

১৯৯৮ সালে তৃণমূল তৈরির সময় থেকেই তিনি ওই দলে নাম লেখান। ১৯৯৯ সালের লোকসভা ভোটে তড়িৎ তোপদারের বিরুদ্ধে তাঁকে প্রার্থী করে দল। আনকোরা প্রার্থী হিসেবে পোড়খাওয়া তড়িৎকে ভালই বেগ দিয়েছিলেন তিনি। মাত্র ৪০ হাজার ভোটে জেতেন সিপিএম প্রার্থী তড়িৎ। ২০০১ সালের বিধানসভা ভোটে তিনি ভাটপাড়া কেন্দ্র থেকে জিতে বিধায়ক হন। 

তারপর থেকে টানা চারবার একই কেন্দ্রের বিধায়ক। তারই মধ্যে নিজের ‘ইমেজ’ বদলেছে। নেতা থেকে বাহুবলী-নেতার পরিচিতি হয়েছে। ভাটপাড়া পুরসভায় দু’বার পুরপ্রধান হয়েছেন। ভাটপাড়া থেকে ধীরেধীরে তাঁর কার্যকলাপের এলাকা বেড়েছে। দলের মধ্যেই নিজের অনুগামী তৈরি করেছেন। 

 দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯ 

দলে তাঁকে নিয়ে বিতর্কও কিছু কম হয়নি। তাঁর প্রশ্রয়েই শিল্পাঞ্চলে ত্রাসের রাজনীতি, দাদাগিরি, তোলাবাজি বেড়েছে বলে অভিযোগ বিরোধীদের। শুক্রবার শিল্পাঞ্চলের এক ঝাঁক বিজেপি নেতা তৃণমূলে যোগ দেবেন বলে দলীয় সূত্রে খবর।

২০১৪ লোকসভা নির্বাচনের ফল

  • প্রাইম মিনিস্টার’স অফিস এখন পাবলিসিটি মিনিস্টার’স অফিসে পরিণত হয়েছে।

  • author
    রাহুল গাঁধী কংগ্রেস সভাপতি

আপনার মত