ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের হানায় বিধ্বস্ত এলাকায় স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের টেস্ট এক সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়া হল। মধ্যশিক্ষা পর্ষদ শুধু বার্ষিক পরীক্ষা পিছোনোর নির্দেশ দেওয়ায় দশম শ্রেণির টেস্ট নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। কারণ বার্ষিক অর্থাৎ তৃতীয় সামেটিভ পরীক্ষার আগেই ওই টেস্ট শুরু হওয়ার কথা। বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, শুধু বার্ষিক পরীক্ষা নয়, টেস্টও পিছোচ্ছে।

ঠিক ছিল, পঞ্চম থেকে নবম শ্রেণির তৃতীয় সামেটিভ পরীক্ষা শুরু হবে ২৫ নভেম্বর। তার আগে, ২০ নভেম্বর দশম শ্রেণির টেস্ট শুরু হওয়ার কথা। পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার বলেন, ‘‘বুলবুল-বিধ্বস্ত এলাকায় পঞ্চম থেকে নবম শ্রেণির তৃতীয় সামেটিভ পরীক্ষা এক সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়া হল।’’ দশম শ্রেণির টেস্ট নিয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

যে-সব ব্লকের স্কুলগুলিতে পরীক্ষা পিছিয়েছে, সেই তালিকায় আছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ, নামখানা, সাগর, পাথরপ্রতিমা, বাসন্তী, গোসবা, কুলতলি, মথুরাপুর ১ ও ২, ক্যানিং ১ ও ২, কুলপি, জয়নগর ১ ও ২, মগরাহাট ২। উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া, হাড়োয়া, স্বরূপনগর, মিনাখাঁ, হাসনাবাদ, হিঙ্গলগঞ্জ, সন্দেশখালি ১ ও ২, বসিরহাট ১ ও ২। পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর ১ ও ২, দেশপ্রাণ, খেজুরি ১ও ২, নন্দীগ্রাম ১, মহিষাদল, কাঁথি ১। যে-সব পুর এলাকার স্কুলে পরীক্ষা পিছোল, তাদের মধ্যে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার টাকি ও বসিরহাট এবং পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি ও হলদিয়া।