• শিবাজী দে সরকার ও  শমীক ঘোষ
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

ছ’মাস পরে চালু হচ্ছে বিশেষ আদালত

High Drain
অসহায়: কলেজ স্ট্রিটে ম্যানহোল সাফাই করছেন এক কর্মী। নিজস্ব চিত্র

Advertisement

বিশেষ কোর্টের বিচারক না থাকায় থমকে ছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা এনআই-এর ১৬টি মামলার বিচার প্রক্রিয়া। কলকাতার নগর দায়রা আদালতের মুখ্য বিচারকের এজলাসে অভিযুক্তদের জেল থেকে প্রতি ১৪ দিন অন্তর হাজিরা করানো হলেও তাঁদের বিচার হচ্ছিল না। সূত্রের খবর, কলকাতার এনআইএ আদালতের বিচারক ঠিক করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সম্প্রতি একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে মন্ত্রক তা কলকাতা হাইকোর্টে পাঠিয়েছে। 

এনআইএর আইনজীবী শ্যামল ঘোষ সোমবার বলেন, ‘‘কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে বিশেষ আদালতের বিচারকের নাম উল্লেখ করে কলকাতা হাইকোর্টে পাঠানো হয়েছে।’’ শ্যামলবাবুর দাবি, চলতি মাসেই বিচার পর্ব শুরু হবে। এনআইএ সূত্রের খবর, বর্তমানে তাদের হাতে থাকা ১৬টি মামলা রয়েছে নগর দায়রা আদালতে। সেগুলির মধ্যে রয়েছে খাগড়াগড় বিস্ফোরণ, আইএস জঙ্গি মুসার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা, সদানালা রামকৃষ্ণের মতো মাওবাদী নেতার মামলা। জাল নোট সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ মামলাও ওই আদালতে বিচারাধীন।

২০১৪ সালে অক্টোবরে খাগড়াগড় বিস্ফোরণের পর ওই ঘটনার তদন্তভার নেয় এনআইএ। সেই মামলার বিচারের জন্য গঠন করা হয় এনআইএ-র বিশেষ আদালত। মূলত কলকাতা নগর দায়রা আদালতের মুখ্য বিচারকই এনআইএ আদালতের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পান। তার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হয়। কিন্তু গত ছ’মাসে সেই বিজ্ঞপ্তি জারি না হওয়ায় কোনও বিচারক এনআইএর মামলার বিচার পর্ব শুরু করতে পারেননি।

পুলিশ জানিয়েছে, গত সপ্তাহেই খাগড়াগড় কাণ্ডে ধৃত ২৮ জনকে আনা হয় বিশেষ আদালতে। নগর দায়রা আদালতে মুখ্য বিচারকের এজলাসে তাদের তোলাও হয়। কিন্তু বিচারকের কাছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অনুমতি না থাকায় অভিযুক্তদের পরবর্তী হাজিরার দিন জানিয়ে ফেরত পাঠানো হয়। এক আইনজীবীর মতে, খাগড়াগড় মামলায় প্রায় ৮০০ জনেরও বেশি সাক্ষী রয়েছেন। চার বছর আগে বিচার পর্ব শুরু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত অল্প কয়েক জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে। 

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন
বাছাই খবর

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন