ছত্তীসগঢ়ে নিহত শ্রমিক বানিরুল ইসলামের দেহ এল বাড়িতে। রাইপুর থেকে বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টে নাগাদ সম্মতিনগরের বাড়িতে দেহ নিয়ে এলেন বানিরুলের শ্যালক জামাল শেখ। ছত্তীসগঢ়ে একই জায়গায় দু’টি পাড়ায় থাকতেন তাঁরা। ছত্তীসগঢ়ের কঙ্কর জেলার কাপসিতে এক ব্যক্তি সোমবার সকালে বানিরুলকে মারধর করে বলে অভিযোগ। সেই রাতেই রাইপুরের হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই ছত্তীসগঢ়ের পুলিশ গ্রেফতার করেছে অভিযুক্ত নেপাল দাস নামে এক যুবককে।

এ দিন নিহত বানিরুলের দেহ বাড়িতে পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন বানিরুলের ৬৯ বছরের বৃদ্ধ বাবা তামিজুদ্দিন বিশ্বাস। তিনি বলেন, “ছেলের ভরসাতেই সংসার চলত।  সব শেষ হয়ে গেল। যে দুষ্কৃতী ছেলেকে খুন করেছে তার কঠোর সাজা হোক। পুলিশের কাছে এটাই আমার আর্জি।’’ 

কঙ্কর জেলার এসডিপিও মহেন্দ্র তেওয়ারি জানান, খুনের ঘটনায় নেপাল দাসকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে আর্থিক লেনদেনের কারণে এই খুনের প্রমাণ মেলেনি। যা জানা গিয়েছে, তাতে এই খুনের পিছনে ‘অন্য কোনও কারণ’ রয়েছে।