• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

তৃণমূলের মুখোশ খুলে দিয়েছি, নার্কো টেস্ট না দিয়ে কলকাতা পুলিশকে তোপ ম্যাথুর

muchipara
ম্যাথু স্যামুয়েল। —ফাইল চিত্র।

নার্কো টেস্ট দিতে শেষ পর্যন্ত রাজি হলেন না সাংবাদিক ম্যাথু স্যামুয়েল। তাঁর অভিযোগ, মুচিপাড়া থানা পৃথক মামলায় তদন্ত শুরু করলেও কলকাতা পুলিশের মূল উদ্দেশ্য নারদ-কাণ্ডে তথ্য বের করা। জেরার সময়ও তাঁকে নারদ স্টিং অপারেশন নিয়ে জানতে চাওয়া হয়। ম্যাথুর আশঙ্কা, নার্কো টেস্টের সময়েও একই প্রশ্ন তাঁকে করা হতে পারে। তাই তিনি রাজি হননি বলে জানিয়েছেন।

বিহারের প্রাক্তন এক সাংসদকে হুমকি এবং তাঁর কাছ থেকে তোলা তোলার ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে মুচিপাড়া থানা। ওই মামলায় নাম জড়িয়েছে নারদ নিউজ পোর্টালের প্রাক্তন সিইও ম্যাথু স্যামুয়েলের। তদন্তের প্রয়োজনে তাঁকে কলকাতায় আসতে হয়েছিল। পরে তাঁকে তলব করা হলে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে হাজিরা দিতে অস্বীকার করেন তিনি। বিষয়টি পৌঁছে আদালত পর্যন্ত।

তদন্তকারী অফিসারেরা ম্যাথুর বয়ানে সন্তুষ্ট না হওয়ায় ব্যাঙ্কশাল আদালতে নার্কো অ্যানালেসিস টেস্টের আবেদন করেন। ম্যাথু প্রাথমিক ভাবে নার্কো টেস্টের জন্য সম্মতিও দেন।

আরও পড়ুন: বিজেপিতে যোগ দিলেন তৃণমূল সাংসদ সৌমিত্র খান, রাজ্যে চাঙ্গা গেরুয়া শিবির

গ্রাফিক: শৌভিক দেবনাথ।

পাশাপাশি তিনি আদালতের মাধ্যনমে তদন্তকারীদের জানিয়েছিলেন, নার্কো টেস্ট করাতে তিনি রাজি আছেন। তবে, তা করতে হবে গুজরাতের আমদাবাদের গাঁধীনগরের ‘সেন্ট্রাল ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি’তেই। সেই মতো গত শনিবার আমদাবাদ পৌঁছয়  কলকাতা পুলিশের বিশেষ দল। কিন্তু, ম্যাথু শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত বদল করেন। ফলে খালি হাতেই ফিরে আসতে হয় কলকাতা পুলিশকে।

ম্যাথু নিজের শারীরিক অসুস্থতার  কারণ উল্লেখ করে চিঠি লেখেন ‘ডিরেক্টরেট অব ফরেন্সিক সায়েন্স’-এর ডেপুটি ডিরেক্টরকে। সেই চিঠিতে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, নার্কো পরীক্ষার পরে শারীরিক সমস্যা হতে পারে। পাশাপাশি কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। লিখেছেন, মুচিপাড়া থানা তোলাবাজির মামলা ছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ে জানতে চাইছে। নারদ-কাণ্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। ফলে নার্কো টেস্টের সময়েও একই ঘটনা ঘটতে পারে।

আরও পড়ুন: চক্রের ‘কিংপিন’ জেলে, তার পরেও একাধিক চেক জালিয়াতি, মিলছে পাক যোগ

নার্কো টেস্টে রাজি না হওয়ার এটিই অন্যতম কারণ বলে জানাচ্ছেন ম্যাথু সামুয়েল। তিনি বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের অনেক নেতা এবং অফিসারের ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি জনসমক্ষে তুলে ধরে মুখোশ খুলে দিয়েছি। তাই কলকাতা পুলিশকে কাজে লাগাচ্ছে এই সরকার।”

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন