কলেজ স্তরে পুরোপুরি অনলাইনে ভর্তির ব্যবস্থা হয়েছে। এ বার মাদ্রাসায় ওই প্রক্রিয়ায় ভর্তি শুরু হচ্ছে। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে অনলাইনে ভর্তির পাইলট প্রজেক্ট চালু করা হচ্ছে মুর্শিদাবাদ-হুগলির ১০০টি মাদ্রাসায়। খরচ হবে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা।

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিকর্তা আবিদ হোসেন বলেন, ‘‘রাজ্যে অনুমোদিত মাদ্রাসার সংখ্যা ৬১৫। দশম ও দ্বাদশ শ্রেণি পড়ানো হয় ৫৮২টিতে। ধাপে ধাপে সর্বত্র অনলাইনে ভর্তির ব্যবস্থা চালু হবে।’’ রাজ্যের তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা ওয়েবেলের তত্ত্বাবধানে সফটওয়্যারের নকশা তৈরির কাজ চলছে।

মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের খবর, রাজ্যে সব চেয়ে বেশি মাদ্রাসা রয়েছে মুর্শিদাবাদে— ১১৩টি। তার পরেই মালদহ— ৮৫টি। হুগলিতে ৩৯টি এবং হাওড়ায় ৩০টি মাদ্রাসা আছে। মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিক করার লক্ষ্যে সরকার কিছু পদক্ষেপ করেছে। অনেক মাদ্রাসায় তৈরি হয়েছে স্মার্ট ক্লাসরুম। দেওয়া হয়েছে কম্পিউটার, বিজ্ঞানের বিভিন্ন জিনিসপত্র। দফতরের এক কর্তা জানান, মাদ্রাসায় সব বিষয়ই পড়ানো হয়। দিন দিন পড়ুয়া বাড়ছে। হিন্দু ও মুসলিম, সব সম্প্রদায়ের পড়ুয়ারাই রয়েছে। পিছিয়ে পড়া ছাত্রছাত্রীদের প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখতে মাদ্রাসার পড়ুয়াদের দিকে নানা ভাবে নজর দিচ্ছে সরকার। তাই ভর্তি প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করা দরকার। সেই জন্যই অনলাইনের ভাবনা।