জেলায় জেলায় সরকারি ধান ক্রয় কেন্দ্রগুলি খোলাই আছে। কিন্তু চাষিরা সে-ভাবে ধান বিক্রি করতে আসছেন না। ফলে সরকারি উদ্যোগে ধান সংগ্রহের কাজ থমকে গিয়েছে।

রাজ্যের খাদ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এ বছর সরকারের ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ৪৬ লক্ষ মেট্রিক টন। এপ্রিল পর্যন্ত সংগৃহীত হয়েছে ৩৪ লক্ষ মেট্রিক টনের কিছু বেশি। সরকারের তরফে ধান কেনার কাজ চলবে অক্টোবর পর্যন্ত। সরকারি কর্তারা আশা করছেন, ওই সময়ের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হবে।

কিন্তু ধান বেচতে সরকারি কেন্দ্রে কৃষকদের হাজিরা কমল কেন?

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘরে যে-ধান ছিল, অধিকাংশ কৃষকই তা বিক্রি করে দিয়েছেন। ভোটের জন্য এখন সকলেই ব্যস্ত। তাই চাষিরা আর আসছেন না। রাজ্যের খাদ্যসচিব মনোজ অগ্রবাল অবশ্য বলেন, ‘‘ভোটের সঙ্গে ধান কেনার কোনও সম্পর্ক নেই। ধান কেনার জন্য ৪০৫টি ধান ক্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেগুলো চালু থাকবে অক্টোবর পর্যন্ত। চাষিরা ধান নিয়ে সরকারি কেন্দ্রে হাজির হলেই কেনা হবে।’’

জেলায় জেলায় সমবায় সমিতিগুলি যাতে ধান কেনে, সেই জন্য জেলাশাসকদের চিঠি দিয়েছে খাদ্য দফতর। চাষিরা ধান আনলেই তা কিনে নিয়ে হাতে হাতে চেক দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। খাদ্য দফতরের এক কর্তা জানান, বোরো ধান উঠবে মে মাসের শেষ দিকে। তখন চাষিরা বোরো ধান বিক্রি করতে সরকারি কেন্দ্রে হাজির হবেন।

 দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯ 

রাজ্যের রাইস মিল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল মালেক বলেন, ‘‘নতুন আলু উঠেছে, বোরো ধানের চাষ হয়েছে। জুন থেকে বোরো ধান উঠলে চাষিরা আবার ধান বেচবেন।’’ ওই সংগঠন জানায়, চালকলগুলিতে চাল রাখা আছে। খাদ্য দফতর সেই চাল নিলে তবেই মিলের জায়গা খালি হবে।