• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

দুর্যোগ নিয়ে ভাবছে প্রশাসন, চিন্তামুক্ত উদ্যোক্তারা

Weather
ফাইল চিত্র।

জনজোয়ার এ বার পুজোয় অমিল। কিন্তু সপ্তমীতে কি বৃষ্টিতে ভাসবে কলকাতা? আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস শুনে তেমনই আশঙ্কা করছেন অনেকে। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতরের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল (পূর্বাঞ্চল) সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, বঙ্গোপসাগরে একটি গভীর নিম্নচাপ দানা বেঁধেছে। সেটি অতিগভীর নিম্নচাপের চেহারা নেবে।

আজ, শুক্রবার বিকেলে সেটি পশ্চিমবঙ্গের সাগরদ্বীপ ও বাংলাদেশের খেপুপাড়ার মাঝখান দিয়ে স্থলভূমিতে প্রবেশ করবে। তার জেরে আজ, শুক্রবার গাঙ্গেয় বঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতা এবং হাওড়া, হুগলি, নদিয়ায় দু’-এক জায়গায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। 

হাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, দুই ২৪ পরগনার দু’-এক জায়গায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে দু’-এক জায়গায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে। এর পাশাপাশি অতি গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে জোরালো হাওয়া বওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘তা হলে কে মারল আমার ছেলেকে?’

জোরালো বৃষ্টিতে শহরে জল জমার আশঙ্কা রয়েছে। এ ব্যাপারে হাওয়া অফিসের তরফে পুরসভাগুলিকেও সতর্ক করা হয়েছে। তবে এ বারে বৃষ্টি হলেও তেমন মাথাব্যথা নেই পুজো কমিটিগুলির। পুজোকর্তাদের অনেকেরই মতে, এ বার ভিড় নিয়ে তেমন মাথাব্যথা নেই। তাই বৃষ্টি হলে বা জল জমলে তেমন আতঙ্কের কিছু নেই। মণ্ডপ বাঁচানোর জন্য যতটুকু দরকার ততটুকু ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

বিরূপ প্রকৃতি

কলকাতা, হাওড়া এবং হুগলিতে ভারী বৃষ্টিপাত। 

৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে কলকাতা, হাওড়া এবং হুগলি জেলায়।

উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত।

৪০-৫০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায়।

শহরাঞ্চলে ও নিচু এলাকায় জল জমার আশঙ্কা।

সূত্র: আবহাওয়া দফতর

সঞ্জীববাবু জানান, আজ, উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে। সর্বাধিক বেগ হতে পারে ৬০ কিলোমিটার। কলকাতা এবং লাগোয়া জেলাগুলিতে ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে। সুন্দরবন অঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকায় বাসিন্দাদের ঘরে থাকতে বলা হয়েছে। 

এই বার্তা পাওয়ার পরেই লালবাজার থেকে কলকাতার সব থানাকে সতর্ক করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রের খবর, পুরসভা ও পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে কথা বলতে বলা হয়েছে থানাগুলিকে। বাড়াতে বলা হয়েছে সমন্বয়। জোরালো বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সময়ে মণ্ডপের 

সামনে কাউকে থাকতে নিষেধ করা হয়েছে। লালবাজারের এক পুলিশকর্তা বলেন, “আমরা থানাগুলিকে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেছি। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকেও সতর্ক করা হয়েছে যাতে গাছ বা বাড়ি ভাঙলে কিংবা জল জমার পরিস্থিতিতে দ্রুত আটকে পড়া মানুষকে উদ্ধার করা যায়।”

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন