ফের রবিনসন স্ট্রিটের ছায়া। এ বার নরেন্দ্রপুরে। ওই এলাকার একটি বহুতল আবাসনের ফ্ল্যাটে দাদার পচাগলা মৃতদেহ আগলে রেখেছিলেন বোন৷ মঙ্গলবার সকালে ওই ফ্ল্যাট থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে সোনারপুর থানার পুলিশকে খবর দেন আবাসিকরা। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে পুলিশকর্মীরা দেখেন, দাদা অঞ্জনকুমার দে-র দেহ আগলে বসে রয়েছেন বোন মিনতি দে৷

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খবর পেয়ে তারা গিয়ে দেখে মেঝেতে পড়ে রয়েছে অঞ্জনকুমার দে (৭০) নামে ওই বৃদ্ধের দেহ৷ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়৷ সেই রিপোর্ট আসার পরেই মৃত্যুর কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছেন ওই থানার এক আধিকারিক। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ৷ প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুমান, তিন-চার দিন আগেই অঞ্জনবাবুর মৃত্যু হয়েছে।  

বছর দশেক ধরে নরেন্দ্রপুরের বি ব্লকের ফ্ল্যাটে থাকতেন ভাই-বোন দু’জনে৷ অঞ্জনকুমার দে পেশায় আইনজীবী ছিলেন৷ ওই পরিবারের দু’জনেই কারও সঙ্গে খুব একটা বেশি কথা বলতেন না। জানা গিয়েছে, প্রয়োজনের ভিত্তিতে এক চালককে পারিবারিক গাড়ি চালানোর জন্য মাঝেমাঝে ডেকে পাঠানো হত। আগে থেকে বলে রাখায় গত ১৯ অগস্ট সেই চালক এসেছিলেন। কিন্তু বন্ধ দরজার ও পাশ থেকে বহু ডাকাডাকির পরেও সাড়া না পাওয়ায় তিনি ফিরে গিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন: পাওনা টাকা চাইতেই কাটারি তুলে মহিলাকে খুনের হুমকি, অভিযুক্ত টলিউড প্রযোজক

আরও পড়ুন: যোধপুর পার্কে বৃদ্ধা খুনে জামিন, দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যাচ্ছে পুলিশ

এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, মিনতিদেবী মানসিক সমস্যায় ভুগছেন কি না তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই গাড়িচালককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।