পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী আসনের ফল ঘোষণা করা যাবে। সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষে শুক্রবার এই রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। পঞ্চায়েতের যে ২০ হাজারের বেশি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়নি, তার ভাগ্য নিয়েই ছিল এই রায়। শুনানি শেষ হয়েছিল আগেই। কারও কোনও আপত্তি থাকলে ফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে ইলেকশন ট্রাইবুনালে আবেদন করা যাবে বলেও জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। একই সঙ্গে ই-মেলে মনোনয়ন জমা দেওয়ার বৈধতাও নাকচ করে দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

এর আগে রাজ্যের তরফে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানানো হয়েছিল, গত শনিবারই ৩ হাজারের বেশি গ্রাম পঞ্চায়েতের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। ফলে সাংবিধানিক সঙ্কট দেখা দিয়েছে। উন্নয়নের ২২ হাজার কোটি টাকা ফেরৎ চলে যাচ্ছে।

পঞ্চায়েত দফতরের কর্তারা জানিয়েছিলেন, রাজ্যের মোট ৩,২০৭টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মেয়াদ ফুরিয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে ১,৫১৫টিতে গ্রাম পঞ্চায়েত গঠন করা সম্ভব হচ্ছে। কিন্তু ১,৬৯২টি ক্ষেত্রে পঞ্চায়েত গঠন করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে কোনও পঞ্চায়েত সমিতি বা জেলা পরিষদের মেয়াদ ফুরোয়নি।  বিজেপি-র যুক্তি ছিল, পঞ্চায়েত ভোটপর্বে যে হিংসা হয়েছিল, তা কলকাতা হাইকোর্টই মেনে নিয়েছিল। নির্বাচন কমিশনও তাই মনোনয়ন জমার সময়সীমা বাড়ায়।

আরও পড়ুন: ‘সহায়’ মমতাই, আজ থেকে ফের চালু হচ্ছে শুটিং

রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় একে ঐতিহাসিক জয় বলে জানিয়েছেন।