শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের  সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসেও সমাধান সূত্র মিলল না। উস্তি ইউনাইটেড প্রাইমারি টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশেনের প্রাথমিক শিক্ষকেরা জানালেন, শিক্ষামন্ত্রী তাঁদের দাবি পূরণের আশ্বাস দিতে পারেননি। তাঁদের আন্দোলন চলবে। 

গত শুক্রবার থেকে বিকাশ ভবনের কাছে ওয়াই চ্যানেলে চলছে উস্তি ইউনাইটেড প্রাইমারি টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশেনের অনশন-বিক্ষোভ। ন্যায্য বেতনের দাবিতে অনশন করছেন ১৮ জন শিক্ষক। মঞ্চে কয়েক হাজার শিক্ষক শামিল হয়ে অবস্থান বিক্ষোভ চালাচ্ছেন। শিক্ষকদের দাবি, অন্যান্য রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকদের মতো তাঁদেরও গ্রেড পে ৪২০০ টাকা করতে হবে। 

এ দিন ওই সংগঠনের পাঁচ জন প্রতিনিধির সঙ্গে বিকাশ ভবনে  শিক্ষামন্ত্রীর প্রায় দু’ঘন্টা বৈঠক হয়। বৈঠকের পরে ওই প্রতিনিধি দল জানান, শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, এক ধাক্কায় গ্রেড পে ৪২০০ টাকা করা সম্ভব নয়। তাই তাঁদের আন্দোলন চলবে।

পরে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘ওঁদের দাবি অনুযায়ী  গ্রেড পে করতে হলে সাড়ে তিন হাজার থেকে চার হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। এখনই সেই টাকা সরকারের নেই। ধাপে ধাপে তা বাড়ানো যেতে পারে।’’ যদিও অনশনকারীদের প্রশ্ন, বিধায়কদের ভাতা বাড়ানোর টাকা আছে, নানা রকম উৎসব অনুষ্ঠান করার টাকা আছে, কিন্তু শিক্ষকদের ন্যায্য বেতন বাড়ানোর টাকা নেই কেন? এ দিন শিক্ষকদের অনশনমঞ্চে আসেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। দিলীপবাবু ওই অনশনমঞ্চে বলেন, ‘‘রাজ্যের টাকা না থাকলে কেন্দ্রের কাছে চাইতে পারে।’’ যদিও এই কথার জবাবে পার্থবাবু বলেন, ‘‘ওরা তো মিড ডে মিলের টাকাই ঠিক মতো দিতে পারে না।’’