সব স্তরেই নিন্দার বান বইছে। বিদ্যাসাগর কলেজে ভাঙচুর এবং বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার নিন্দায় সরব হলেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যেরাও। তাঁদের নিন্দা-প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ‘এই মূর্তি ভাঙার মধ্য দিয়ে দুষ্কৃতীরা বাংলার প্রগতিশীলতার ঐতিহ্যকেই নষ্ট করতে চেয়েছে।’

রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সব্যসাচী বসু রায়চৌধুরী জানান, রাজ্যের বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যেরা একযোগে ওই ঘটনার নিন্দা করেছেন। সেই তালিকায় রয়েছেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুরঞ্জন দাস, প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য  অনুরাধা লোহিয়া, বারাসত রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বাসব চৌধুরীরা। বিদ্যাসাগর কলেজ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে।

বিদ্যাসাগর কলেজে ভাঙচুর এবং বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার প্রতিবাদে পশ্চিমবঙ্গ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (ওয়েবকুটা) এ দিন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাস থেকে বিদ্যাসাগর কলেজ পর্যন্ত মিছিল করে। সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া, শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীরাও ওই ঘটনার প্রতিবাদে মিছিল করেন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (জুটা) ভাঙচুরের নিন্দা করেছে। নিন্দা করেছে শিক্ষক সংগঠন আবুটা-ও। তারা এই বিষয়ে আচার্য-রাজ্যপাল কেশরীনাথ নাথ ত্রিপাঠীকে চিঠি লিখছে বলে জানিয়েছে। ভাঙচুরের প্রতিবাদ করেছে নিখিল বঙ্গ শিক্ষক সমিতি (এবিটিএ)-ও।

দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯

বিভিন্ন নকশালপন্থী সংগঠন এ দিন বিকেলে বিদ্যাসাগর কলেজের সামনে গিয়ে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহের কুশপুতুল পোড়ায়। বিদ্যাসাগর কলেজের সামনে তখন টিএমসিপি-র পড়ুয়ারাও জড়ো হয়েছিলেন। ফের যাতে কোনও উত্তেজনা না-ছড়ায়, সেই ব্যাপারে সতর্ক ছিল পুলিশ।

বিকেলে বিজেপির রাজ্য দফতরে কয়েক জন যুবকের বর্ণপরিচয় উপহার দিতে যাওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। বিকি সাহা নামে এক যুবকের অভিযোগ, তাঁদের ওই অফিসে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। ধাক্কা দিয়ে বার করে দেওয়া হয়।