দেওঘরের সঙ্গে বাঙালির অনেক স্মৃতি। সাহিত্যেও উঠে এসেছে এই জায়গার কথা। সেই কারণে এখানে শুটিং করতে যাওয়া নিয়ে এক্সাইটেড ছিলেন আবীর চট্টোপাধ্যায়। ‘‘বাঙালি একটা সময়ে খুব বেড়াতে যেত দেওঘর। ওখানে শুটিং করে বেশ ভাল লেগেছে,’’ বলছিলেন আবীর। তাঁর যদি জায়গা ভাল লেগে থাকে, তা হলে পাওলির পছন্দ হয়েছে ওখানকার খাবার। মজা করে বলছিলেন, ‘‘আমাদের প্রযোজক রোজ সকলের জন্য বাড়ির তৈরি লিট্টি চোখা আর আটঠে বানিয়ে আনতেন। আমি আর আবীর ডায়েট ভুলে সব খেতাম!’’

‘বেডরুম’-এর পর ‘তৃতীয় অধ্যায়’-এ আবীর-পাওলি একসঙ্গে কাজ করলেন। ছবির পরিচালক মনোজ মিশিগান জানালেন, ছবিটি ডার্ক রোম্যান্টিক থ্রিলার। পাওলি এখানে আবীরের প্রাক্তন প্রেমিকার চরিত্রে। আবীর তার বাবাকে খুঁজতে বেরোয়। ঘটনাচক্রে পাওলির সঙ্গে  দেখা হয়ে যায় আবীরের। অভিনেতার কথায়, ‘‘প্রেমের ছবি তো অনেক রকমের হয়। এখানে সেই মোলায়েম পরতটা নেই।’’ মনোজের সঙ্গে এর আগে ‘আমি জয় চ্যাটার্জি’তে কাজ করেছেন আবীর। সেই অভিজ্ঞতার প্রেক্ষিতে ও গল্পের আকর্ষণে রাজি হয়েছিলেন ‘তৃতীয় অধ্যায়’ করতে।

ছবির ক্ল্যাইম্যাক্স তৃতীয় অধ্যায়ে হলেও ব্যক্তিগত জীবন প্রসঙ্গে আবীর বলছিলেন, ‘‘সকলের জীবনেই একাধিক চ্যাপ্টার থাকে। এক একটা অধ্যায়ে আমরা আলাদা চরিত্রে থাকি।’’ কোন অধ্যায় সবচেয়ে ভাল? ‘‘সেটা একদম শেষ দিনে বোঝা যাবে।’’ পাওলি কিন্তু এক কথায় বলে দিলেন তাঁর জীবনের সেরা অধ্যায় স্কুলবেলা!