হ্যাঁ  এমনটাই বলেছেন আরবাজ খান। বহুদিন পর তিনি একটি ছবিতে অভিনয় করলেন। ‘তেরা ইন্তেজার’। একান্ত সাক্ষাৎকারে বললেন, ‘‘পরিচালক রাজীব (ওয়ালিয়া) যখন এই ছবির অফার নিয়ে আমার কাছে আসেন, তখন আমি জানতে চাই, এ ছবির নায়িকা কে? সানি লিওনির নাম শুনেই অভিনয়ে রাজি হই। তা ছাড়া প্রায় ২০ বছর পর রোম্যান্টিক লিডের অফার পেলাম, সেটাও আমার কাছে খুব আকর্ষক।’’ পছন্দের নায়িকার সঙ্গে আরবাজের কাজের অভিজ্ঞতা কেমন? উত্তরে বললেন, ‘‘সানি খুব হার্ড ওয়র্কিং, ভীষণ বাস্তববাদী। নিজের উচ্চারণ, ভাষা কী ভাবে আরও ভাল হবে, তা নিয়ে খুব চেষ্টা করছে।’’

এত বছর ইন্ডাস্ট্রিতে থাকলেও এখনও বোধ হয় আরবাজ খানের পরিচয় অভিনেতা বা প্রযোজক (‘দবং’, ‘দবং টু’-র মতো ছবি তাঁর ঝুলিতে) নয়, সলমন খানের ভাই। মালাইকা অরোরার বর। এবং এ প্রশ্নের সম্মুখীন তাঁকে বারবার হতে হয়। তবে তা নিয়ে তিনি যে খুব বিব্রত, ভাববেন না যেন। তিনি বললেন, ‘‘সলমন আসলে খুব উদার মনের একজন মানুষ। সচিন তেন্ডুলকরের কথাই ধরুন না। ওঁর ছেলে তো বাবার মতো ভাল ক্রিকেটার নাও হতে পারে। অনেক বড় সেলেবের ভাই-ই যখন সেই প্রজন্মের স্টার হয়, তখন তাঁর পক্ষে সেই স্টেটাস ছোঁয়া সম্ভব হয় না। সলমন যদি আমার ভাই না হতো, তা হলে কি আমি সুপারস্টার হতে পারতাম? সেটা সম্ভব হয়েছে আমি খান পরিবারে জন্মেছি বলেই। নিজের সম্পর্কে এটুকুই বলতে পারি, আমার কেরিয়ারে যা করেছি, তাতে আমি সন্তুষ্ট। কিছু সিদ্ধান্ত ভুল হয়েছে, কিছু ঠিক। তবে আমার জীবন শুধু ছবিতেই সীমাবদ্ধ নয়। তাই আমার এ নিয়ে কোনও দুঃখও নেই।’’ আর তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী মালাইকা অরোরা? এখনও তো তাঁর সঙ্গে আরবাজকে হামেশাই দেখা যায়! ‘‘সেটা সব সময়ে দেখতে পাবেন। কারণ ও আমার ছেলের মা। তা ছাড়া, মালাইকা আমার পরিবারের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ২১ বছর আমরা একসঙ্গে কাটিয়েছি। সেই সময়টা আমাদের দু’জনের জীবনেরই খুব বড় একটা অংশ। এত তাড়াতাড়ি সব ভোলা যায় না।’’ কিছু দিন আগেই আরবাজ খানের সঙ্গে ইনস্টাগ্রামে জনৈক মহিলার ছবি দেখা গিয়েছিল... প্রশ্ন শেষ করার আগেই অভিনেতা বলে উঠলেন, ‘‘এ রকম অনেক কিছুই দেখা যায়। কিন্তু সে আমার গার্লফ্রেন্ড নয়। আমি এখন স্বাধীন, একটু মজা করতে দিন (হেসে)!’’