কঙ্গনা রানাউত ‘গাল্লি বয়’তে আলিয়া ভট্টের পারফরম্যান্সকে ‘মাঝারি মান’-এর বলেছিলেন। ব্রিটিশ নাগরিক বলে দেশের রাজনীতি নিয়ে কথা বলার অধিকার নেই, এমন কথাও সোনি রাজদান এবং আলিয়াকে উদ্দেশ করে বলেছেন কঙ্গনার বোন রঙ্গোলি। পরপর এ ভাবে আক্রান্ত হওয়ায় টুইটের মাধ্যমে মুখ খুলেছিলেন সোনি। তিনি লিখেছিলেন, ‘মহেশ ভট্ট ওকে ব্রেক দিয়েছিল এই ইন্ডাস্ট্রিতে। তাঁরই স্ত্রী এবং মেয়েকে এ ভাবে অপমান করছে ও! বিশেষ করে আমাদের মেয়েকে। এক বার, দু’বার নয়। বারবার। তা হলে ঘৃণা এবং বিদ্বেষ নিয়ে এত কথা বলে লাভ কী? এতে এক জনের চরিত্র সম্পর্কে অনেকটা জানা যায়...’ তবে সোনি পরে এই টুইটটি কোনও অজানা কারণে ডিলিট করে দেন।

দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯

তবে ততক্ষণে টুইটটি রঙ্গোলির নজরে পড়ে যাওয়ায় তিনিও চুপ করে থাকেননি। পাল্টা টুইট করেছেন এবং তাতে বেশ কিছু অভিযোগ তুলেছেন মহেশের দিকে। রঙ্গোলির গোটা টুইট এখানে তুলে দেওয়া হল, ‘কঙ্গনাকে ব্রেক দিয়েছিল অনুরাগ বসু। মহেশ ভট্ট নয়। মহেশ তাঁর ভাইয়ের প্রযোজনা সংস্থায় শুধু ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর হিসেবে ছিলেন। ‘উয়ো লমহে’র পরে ‘ধোকা’ বলে একটি ছবিতে মহেশ কাস্ট করতে চেয়েছিলেন কঙ্গনাকে। যেখানে সুইসাইড বম্বারের চরিত্র দেওয়া হয়েছিল ওকে। কিন্তু কঙ্গনা রাজি হয়নি। তাতে নিজের অফিসে বসে উনি প্রচণ্ড চিৎকার করে অপমান করেছিলেন কঙ্গনাকে। শুধু তাই নয়। ‘উয়ো লমহে’র প্রিভিউ পার্টিতে কঙ্গনা গিয়েছিল বলে ওর দিকে পায়ের চটি খুলে ছুড়েছিলেন উনি! সারা রাত কেঁদেছিল মেয়েটা। তখন ওর বয়স মোটে ১৯!’

সোনির কাছে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়ায় তিনি বলেন, ‘‘এই পাগলামির মধ্যে জড়িয়ে পড়ার কোনও ইচ্ছে নেই আমার।’’