প্র: ‘অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’-এ আপনি সঞ্জয় বরুর (বইটির লেখক এবং মনমোহন সিংহর মিডিয়া অ্যাডভাইসর) চরিত্র করছেন। কোনও বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছিলেন? 

উ: এক ফোঁটাও প্রস্তুতি নিইনি। পরিচালক যে ভাবে গাইড করেছেন, ঠিক সে ভাবে অভিনয় করেছি। আমি কোনও দিনই বিশেষ প্রস্তুতি নিই না। এই চরিত্রটা শোনার পরেই ভাল লেগে যায়, আর ‘হ্যাঁ’ বলে দিই। 

প্র: সম্মতি জানানোর পরে আপনার মনে কোনও আশঙ্কা ছিল? 

উ: একদমই না! ছবিতে আমার চরিত্রটি ভাল এবং তার সঙ্গে গল্পটাও দারুণ। ডক্টর মনমোহন সিংহ এবং সঞ্জয় বরুর সম্পর্কের ভিত এতটাই মজবুত ছিল যে, ডক্টর সাহেবের এক ডাকে সঞ্জয় তাঁর কাছে চলে যেতেন। আমাদের দেশের নেতা এবং রাজনীতি এই দুই নিয়ে আরও বেশি করে ছবি বানানো উচিত। আর দর্শক সেই ছবি আগ্রহ নিয়ে দেখবেনও। আমরা সবাই স্বাধীন। কোনও কিছু করার জন্য আমাদের কীসের অনুমতি দরকার? 

প্র: আপনি কি ভেবেছিলেন, ছবি মুক্তি পেলে এ রকম বিতর্ক হবে? 

উ: না। তবে সকলের নিজের মতামত জানানোর অধিকার আছে। সুস্থ আলোচনা হোক। কিন্তু সব কিছু নিষিদ্ধ করাটা কখনওই সমাধান নয়। 

আরও পড়ুন: ‘ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত বক্স অফিসের কথা ভেবে ছবি করে না’

প্র: কংগ্রেস পার্টি মনে করছে, ছবিটা তাদের গরিমা নষ্ট করার জন্য বানানো হয়েছে। আপনার কী মত? 

উ: কারও গরিমা নষ্ট করার জন্য ছবিটা বানানো হয়নি। দায়িত্ব, যত্ন এবং সতর্কতার সঙ্গে বানানো হয়েছে। কংগ্রেসের বহু নেতাই অনেক বড় কাজ করেছেন। কিন্তু তাঁরা যদি কোনও ভুল করে থাকেন, তা হলে তার সমালোচনা হওয়া উচিত। বইতে যা আছে আর যা ঘটেছে, তার বাইরে ছবিতে কিছু দেখানো হয়নি। 

প্র: পূর্বতন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহর সঙ্গে দেখা করেছেন? 

উ: এক বার। অনিল কপূর আমাকে নিয়ে গিয়েছিলেন ওঁর কাছে। আমার মনে আছে, অনিলের পিছনে ছিলাম। আর ডক্টর সাহেবের পাশে প্রফুল্ল পটেল দাঁড়িয়ে ছিলেন। যখন মনমোহন সিংহ করমর্দন করছিলেন, প্রফুল্ল পটেল আমার সম্পর্কে ওঁকে বলেছিলেন যে, আমি অভিনেতা বিনোদ খন্নার ছেলে। উনি বলেছিলেন, ‘ইয়েস আই নো হিম।’ শুনে আমি হাওয়ায় উড়ছিলাম! 

প্র: বাবা কখনও অভিনয় নিয়ে পরামর্শ দিতেন? 

উ: বাবা কখনও জ্ঞান দিতেন না। আমার কাজ ভাল লাগলে ডেকে প্রশংসা করতেন। 

প্র: সম্প্রতি আপনি মাকে (গীতাঞ্জলি খন্না) হারালেন... 

উ: মা খুব প্রাইভেট মানুষ ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা বলতেন না। ওঁর অবর্তমানে আমিও কিছু বলব না।