প্র: কেমন আছেন?

উ: ভালই কাটছে সময়। আপাতত সিঙ্গাপুরে শুটিংয়ের ফাঁকে...

প্র: অনেক দিন পরে রোহিত রায়ের বিপরীতে...

উ: পুরনো সহকর্মীর সঙ্গে কাজ করার মজাই আলাদা। স্মৃতিরা সব বেঁচে ওঠে, অনেক কথাও মনে পড়ে যায়। আর একটা অন্য রকম বোঝাপড়া থাকে, সেটেও যা বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখে।

প্র: আর এই গল্পে আপনি কোন চরিত্রে অভিনয় করছেন?

উ: ‘শক্তি-অস্তিত্ব কে এহসাস কী’ ধারাবাহিকে আমি এক জন প্রবাসী ভারতীয়ের চরিত্রে। আমার চরিত্রের নাম সুমন ভল্লা। আর পাঁচজন দম্পতির মতোই তাদের সম্পর্ক। সুমন বিবাহিত জীবনে খুশি, এখন সে মা হতে চায়। আমার লুকও মেলানো-মেশানো। শাড়ি, গাউন, কুর্তা... এখন সকলে যেমন পরে, সে রকমই। 

প্র: এত বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছেন। নতুনদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা কেমন?

উ: এখন সুযোগ অনেক। এত চ্যানেল, এত ধারাবাহিক, অভিনেতাও অনেক। চাহিদার চেয়ে জোগান বেশি। সার্ভাইভাল অব দ্য ফিটেস্টই এখনকার থিয়োরি।

প্র: ভবিষ্যতে কলকাতায় কি কাজ করবেন? 

উ: আমি মুম্বইয়ে থাকি! কলকাতায় একটা ছবি করা মানে সেখানে ক’দিন থাকার বন্দোবস্ত করা। আর সত্যি কথা বলতে এখন কলকাতার কারও সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই। ঋতুদাকে চিনতাম। উনি মারা যাওয়ার পরে আমার কলকাতার সঙ্গে যোগাযোগটা কমে গিয়েছে। সেরকম কোনও পরিচালককেও চিনি না। ক’দিন আগে বুম্বাদা এসেছিলেন মুম্বইয়ে। ওঁর ছবির প্রোমোশনের জন্য এসেছিলেন, তখন গিয়েছিলাম দেখা করতে। ভাল প্রস্তাব পেলে অবশ্যই যাব। 

প্র: ওয়েব সিরিজ়ের যুগে টিভির কনটেন্ট কতটা জরুরি?

উ: সর্বত্রই ভাল-খারাপ দু’রকম কাজই হয়। টিভি ও ওয়েব প্ল্যাটফর্মের দর্শকও আলাদা। যদিও টিভির শো টিআরপি পাচ্ছে। 

প্র: অবসরে কী করেন?

উ: ঘুরতে যেতে ভালবাসি। কোথাও ঘুরতে গেলে প্রথমেই ফোনটা অফ করে দিই। স্বামী মজ়হারের সঙ্গে সময় কাটাতে খুব ভাল লাগে। আর ওর সঙ্গে কাজ করতেও ভালবাসি। তা হলে সময়ও কাটানো যায়। 

প্র: মজ়হরই কি আপনার প্রিয় সহকর্মী?

উ: বলতে পারেন। তবে আমি সুধা চন্দ্রনকে দেখেও ভীষণ অনুপ্রাণিত হয়েছি। ওঁর ছবি ‘নাচ ময়ূরী’ দেখেছিলাম। ওঁর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাও দারুণ। 

প্র: খেতে ভালবাসেন?

উ: হুম! ভীষণ। সব কিছু খাই। নতুন নতুন কুইজ়িন ট্রাই করতে ভীষণ ভালবাসি। কিন্তু বাড়ির ডাল-ভাতই আমার সবচেয়ে প্রিয়। সারা দিন যা-ই খাই না কেন, বাড়ি ফিরে ডাল-ভাত চাই-ই চাই।