প্র: এর আগে সার্জিকাল স্ট্রাইক সম্পর্কে আপনার কোনও ধারণা ছিল? 

উ: না। যা জেনেছি সংবাদমাধ্যম থেকে। হিংসা, যুদ্ধ কেউই পছন্দ করেন না। কিন্তু সার্জিকাল স্ট্রাইকের মাধ্যমে পাকিস্তান এবং পুরো বিশ্বকে জানাতে পেরেছি,  আমরা কারও চেয়ে কম নই। এই ছবিটি করতে গিয়ে অনেক রকম পড়াশোনা করতে হয়েছে। ছবিতে অনেক কিছুই কাল্পনিক। নয়তো ভারতীয় আর্মি আমাদের ছবিটি করার অনুমতি দিত না। জাতীয় নিরাপত্তার খাতিরেই সব কিছু প্রকাশ্যে আনা উচিত নয়। 

প্র: এই চরিত্রটির জন্য তো আপনাকে অনেক পরিশ্রমও করতে হয়েছে...

উ: ১৫ কিলো ওজন বাড়াতে হয়েছে। আমার কিছুতেই ওজন বাড়ে না। এটা এক দিকে ভাল হলেও, ‘উরি’র জন্য এতে সমস্যা হচ্ছিল। ওজন বাড়ানোর জন্য জিমে গিয়ে যা খেটেছি, তাতে কান দিয়ে ধোঁয়া বেরোতে শুরু করে দিত! শুটিংয়ের সময়ে আমার টেনিস এলবো হয়ে গিয়েছিল। সেটে ২৫ দিন ফিজ়িয়োথেরাপি চলেছিল। শারীরিক, মানসিক সব রকমের ট্রেনিং নিতে হয়েছে। 

প্র: ‘উরি’ থেকে সবচেয়ে বড় শিক্ষা কী পেলেন?

উ: আর্মি অফিসারেরা আমাদের জন্য, দেশের জন্য কতটা আত্মত্যাগ করেন, সেটা এই ছবিটা না করলে জানতে পারতাম না। এঁদের পরিবারকেও আমার কুর্নিশ। কতটা শক্ত থাকতে হয় তাঁদের! এই ছবিটা আমাকে আগের চেয়ে অনেক বেশি ডিসিপ্লিনড করে দিয়েছে। 

প্র: ২০১৮ সাল আপনার খুব ভাল কেটেছে। আগামী দিনের পরিকল্পনা কী?  

উ: আমি একজন অভিনেতা, তাই চাইব আমার কাজ দর্শকের পছন্দ হোক। হিট ফিল্মের কোনও ফর্মুলা হয় না। গল্প এবং পরিচালনা দুটোই ভাল হতে হবে। অভিনয়ের পাশাপাশি মিউজ়িক্যাল ইনস্ট্রুমেন্ট শেখার ইচ্ছে আছে। ড্রামস আর পিয়ানো শিখতে চাই। এর পরেই কর্ণ জোহরের ‘তখ্ত’-এর কাজ শুরু করব। একটা হরর ছবিতেও কাজ করছি, সেটার ঘোষণা খুব শিগগিরই হবে।     

প্র: সদ্য কেরিয়ার শুরু করেছেন। ব্যর্থতার ভয় পান?

উ: আমি ভেবেচিন্তে কাজ করতে পারি না। যা মনে হয়, সেটাই করি। চিত্রনাট্য শুনে প্রথম যে প্রতিক্রিয়াটা আসে, তার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিই। এখন কেরিয়ারের যে পর্যায়ে আছি, তাতে ঝুঁকি নিতেই পারি। 

প্র: হরলিন শেঠি আর আপনাকে নিয়ে অনেক কথা শোনা যাচ্ছে। সত্যিটা বলবেন প্লিজ়?

উ: আমরা খুব ভাল বন্ধু। একে অপরের সঙ্গে সব সময়ে আছি এবং থাকব। ও খুব ভাল অভিনেত্রী। ওয়েব সিরিজ় ‘ব্রোকেন’-এ ওর কাজ প্রথম দেখলাম। খুব ভাল করেছে। এই মুহূর্তে এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে চাই না।