বলিউড সেলেবদের সঙ্গে তাঁদের ছেলেমেয়েদের ফ্যাশনও এখন নজর কাড়ছে মিডিয়ার। আর হবে না-ই বা কেন! বিরাট ইভেন্ট হোক বা ইন্টারন্যাশনাল ফ্যাশন প্যারেড, সেলেব কিডরা সেখানে মা-বাবার সঙ্গে টুইনিং করে বা না করে প্রমাণ করে দিচ্ছে, গ্ল্যামারে তারা কোনও অংশেই কম যায় না। যেমন ধরুন, আরাধ্যা বচ্চন। বয়স মোটে সাত হলে কী হবে, কান চলচ্চিত্র উৎসবের রেড কার্পেট দেখা হয়ে গিয়েছে তার। মায়ের সোনালি মারমেড ড্রেসের সঙ্গে তার বিরাট ফুল বসানো পোশাকও সমান চর্চায়। শামক দাভরের ডান্স ইভেন্টেও তার পোশাক থেকে শুরু করে পারফরম্যান্স, সব কিছুই প্রশংসিত। কিউট ফ্রক, পিনস, হেয়ারব্যান্ড, ব্রেসলেট, স্লিং ব্যাগেই তাকে বেশি দেখা যায়। তবে অম্বানীদের বিয়েতে বা বাড়ির কোনও অনুষ্ঠানে আরাধ্যার সাজ থাকে ট্র্যাডিশনাল বা এথনিক পোশাকেই।

স্টাইলে মা-বাবাকে রীতিমতো টেক্কা দিচ্ছে তৈমুর আলি খান। দিনের বেলায় সাধারণত সে ক্যা‌জ়ুয়াল পোশাকেই থাকে। উৎসব-অনুষ্ঠানে অবশ্য তাকে শেরওয়ানি পরতেও দেখা গিয়েছে। তৈমুরের কুল ট্র্যাক প্যান্টস বা দারুণ সব স্লোগান-সমেত টিশার্ট পাপারাৎজ়ির ফেভারিট হয়ে পড়েছে এর মধ্যেই। করিনা এক বার জানিয়েছিলেন, তিনি নিজে শপিং করেন ছেলের জন্য। পুঁচকে তৈমুরের জন্য কমফর্টই আসল, জানিয়েছেন বেবো।

যাকে ছাড়া সেলেব কিডদের ফ্যাশন তালিকা অসম্পূর্ণ, সে হল শাহরুখের কনিষ্ঠ পুত্র— আব্রাম খান। বছর পাঁচেকের এই খুদে কিন্তু রীতিমতো ট্রেন্ডসেটার। কয়েক দিন আগেই চল্লিশ হাজার টাকার সক স্নিকার্স পরে সকলের মাথা ঘুরিয়ে দিয়েছিল আব্রাম! স্ট্রিট স্টাইল, স্পোর্টি লুকেই বেশি দেখা যায় তাকে। টিশার্ট, জিনস, এভিয়েটর্স, স্নিকার্স, স্পোর্টস ক্যাপ, জ্যাকেটই পছন্দ আব্রামের।

মাইক্রো ফ্যাশন থেকে বাদ রাখা যাবে না তৈমুরের বোন অর্থাৎ সোহা আলি খান এবং কুণাল খেমুর মেয়ে ইনায়া এবং শাহিদ-মীরার বড় মেয়ে মিশাকে। ইনায়াকে বেশির ভাগ দেখা যায় প্রিন্সেস ফ্রক এবং ফ্লোরাল হেয়ারব্যান্ডে। মিশাকে আবার ফ্যাশন ফরওয়ার্ড বললে অত্যুক্তি হবে না। এখনই নিজের জামাকাপড় বেছে পরতে পারে সে— তা অল ব্ল্যাক অঁসম্বল হোক বা কালার ব্লকিং। মীরা রাজপুতের সোশ্যাল ফিড ঘাঁটলেই বুঝতে পারবেন!