দীপাবলির আশেপাশেই সাধারণত শুভশ্রীর জন্মদিন পড়ে। এ বার দীপাবলির ঠিক তিন দিন আগে ছিল নায়িকার জন্মদিন। বিয়ের পরে প্রথম জন্মদিন। তাই সেলিব্রেশনে কোনও কসুর ছিল না। শুভশ্রী আর রাজ তাইল্যান্ড গিয়েছিলেন বেড়াতে। ফিরে এসেই কালীপুজো এবং দীপাবলি। সুতরাং ডাবল সেলিব্রেশন। যদিও শুভশ্রী কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো করে থাকেন। রাজের বর্ধমানের বাড়িতেও বেশ বড় করে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো হয়। দু’জনে এ বার সেখানে গিয়েছিলেন। সুতরাং দীপাবলি মানে শুভশ্রীর কাছে শুধুই বাজি পোড়ানো আর মজা।

হাসতে হাসতে নায়িকা বললেন, ‘‘আমার কিন্তু পটকা, বোম ফাটাতে বেশ ভালই লাগে। ছোটবেলায় খুব ডানপিটে ছিলাম তো! এখন শব্দবাজি আর পোড়াই না। তবে আলোর বাজি পোড়াতে খুব ভাল লাগে।’’ এ বারও প্রচুর বাজি পোড়ানোর পরিকল্পনা তাঁর। তা ছাড়া বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা আর হুল্লোড় তো আছেই। 

আনন্দ প্লাসের শুটের জন্য শুভশ্রী বেছে নিয়েছিলেন হলুদ লেহঙ্গা। সঙ্গে পোলকি কাজের গয়না। তাঁর কথায়, ‘‘দুর্গাপুজোর প্রতি দিন শা়ড়ি পরেছি। দীপাবলির সাজ একটু অন্য রকম হোক।’’ তবে বাজি পোড়ানোর জন্য কিন্তু নায়িকা হালকা ঢিলেঢালা পোশাক পরার পরামর্শ দিলেন।

দীপাবলি মানে আলোর উৎসব। তাই বাজারের টুনি বাল্বের পাশাপাশি পুরনো আমলের পিতলের প্রদীপে আলোর রোশনাই নিয়েও নায়িকা উচ্ছ্বসিত। যে কমপ্লেক্সে শুভশ্রী আর রাজ থাকেন, সেখানে রঙ্গোলি দেওয়ার জন্য বেশ সুন্দর জায়গা রয়েছে। রং, ফুল, প্রদীপ সব কিছু নিয়ে শুভশ্রী নিজেই তদারকিতে বসে গেলেন। শুভশ্রীর নিজের ফ্ল্যাটের ইন্টিরিয়রের কাজ চলছে। দিন পনেরোর মধ্যেই তা শেষ হয়ে যাচ্ছে। পরের বছরের দীপাবলির আয়োজন সেখানেই।

শুটিং কো-অর্ডিনেটর: ঈপ্সিতা বসু; 

ছবি: সোমনাথ রায়; মেকআপ: নবীন দাস; হেয়ার: শর্মিষ্ঠা মাজি; পোশাক: কালিঘটা, এলগিন রোড; জুয়েলারি: আভামা, বরদান মার্কেট; রঙ্গোলি: অভিজিৎ পাল; লোকেশন: আরবানা ক্লাব; 

ফুড পার্টনার: ৬ বালিগঞ্জ প্লেস, বালিগঞ্জ