কর্ণ জোহরের চ্যাট শোয়ে এসে নারীবিদ্বেষী, বর্ণবিদ্বেষী কথা বলে বিসিসিআইয়ের রোষে পড়েছিলেন ক্রিকেটার হার্দিক পাণ্ড্য এবং কে এল রাহুল। দু’জনেই আপাতত সাসপেন্ড। সেই ঘটনার দশ দিন পরে মুখ খুললেন কর্ণ জোহর। ক্ষমাও চাইলেন। কর্ণ বলেছেন, ‘‘শোয়ে অতিথি হয়ে আসার জন্য ওদের নিমন্ত্রণ করেছিলাম। তাই শো পরবর্তী যা যা হয়েছে, তার সব দায় আমার।’’ আরও বলেছেন, ‘‘ওদের যা ক্ষতি হয়েছে, তা প্রতিরোধে কী করা যায় ভাবতে ভাবতে অনেক রাত জেগে কাটিয়েছি। তবে এখন যা পরিস্থিতি, তার উপরে আমার কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই।’’

‘কফি উইথ কর্ণ’-এ এর আগেও অনেক বিতর্কের জন্ম হয়েছে। কঙ্গনা রানাউত এই শোয়ে ‘নেপোটিজ়ম’ নিয়ে কথা বলে এমন ঝড় তুলেছিলেন, তার রেষ এখনও ভোলেনি ইন্ডাস্ট্রি। তবে এই শোয়ের জন্য কেরিয়ারের এমন ক্ষতি হার্দিকের আগে আর কারও হয়নি! কর্ণ অবশ্য যুক্তি দেখিয়েছেন, ‘‘ওদের যেমন প্রশ্ন করেছিলাম, তেমন প্রশ্ন আমার শোয়ে সকলকেই করি। কিন্তু তাঁরা কী উত্তর দেবেন, তাতে আমার কোনও হাত নেই।’’ কর্ণের কথায়, ‘‘এই শোয়ের কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বে রয়েছেন ১৫-১৬ জন মহিলা। কিন্তু হার্দিকের কথা তাঁদেরও আপত্তিকর মনে হয়নি।’’

নিন্দুকেরা বলে, টিআরপির জন্যই কর্ণ এ সব করেন। সেই প্রসঙ্গে কর্ণের পাল্টা, ‘‘প্রথমত এটা আমার মূল কেরিয়ার নয়। এটা আমার কেরিয়ারের স্পিন-অফ। আর দ্বিতীয়ত, ভারতে ইংরেজি ভাষার কোনও শো টিআরপির উপরে নির্ভর করে না।’’