বয়স যা-ই হোক না কেন, এখনও তিনি নায়িকার চরিত্রে। পরিচালক রাজেশ দত্ত-ঈপ্সিতা রায় সরকারের ছবি ‘আবার বসন্তবিলাপ’-এ দেখা যাবে মুনমুন সেনকে। নায়ক-নায়িকার চরিত্রে নতুন জুটি লঞ্চ করতে চলেছেন পরিচালকেরা। দেবলীনা কুমার এবং অনুভব কাঞ্জিলালকে দেখা যাবে কেন্দ্রীয় চরিত্রে।

দেবলীনা এর মধ্যে অল্পবিস্তর অভিনয় করেছেন। তাঁর আর একটি পরিচয় তিনি মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমারের মেয়ে। অনুভব দিল্লি থিয়েটারের পরিচিত মুখ। এ বার তিনি দিল্লি রত্ন পুরস্কারও পেয়েছেন। ঈপ্সিতা-রাজেশ এর আগে ‘৬১ নং গড়পার লেন’ পরিচালনা করেছেন। ব্যবসায়িক দিক থেকে বিচার করলে বাংলা ছবির পরিচালনা ঝুঁকির। সেখানে নতুন মুখ লঞ্চ করার কথা ভাবলেন কী করে পরিচালকদ্বয়? ঈপ্সিতার কথায়, ‘‘গল্পের জন্যই নতুন মুখের প্রয়োজন ছিল। আর একই লোক দেখতে দেখতে তো একঘেয়েমিও এসে যায়।’’ মুনমুন সেন খুব কম ছবি করেন। এর আগে ‘বুনো হাঁস’ আর ‘কলকাতা কলিং’-এ দেখা গিয়েছিল তাঁকে। মুনমুনকেই বা রাজি করালেন কী করে? ‘‘উনি গল্পটা শুনেই রাজি হয়ে গিয়েছিলেন,’’ বললেন ঈপ্সিতা। মুনমুনকে এ ছবিতে বেশ গ্ল্যামারাস রোলেই দেখা যাবে। তাঁকে ঘিরেও প্রেমের বাতাবরণ!

‘আবার বসন্তবিলাপ’-এ একটা পাড়ার রোজনামচাকে কেন্দ্র করে গল্প। সবটাই হাসির মোড়কে। কিন্তু ছবির নাম ‘আবার বসন্তবিলাপ’ কেন? পুরনো নস্ট্যালজিয়া উস্কে দেওয়ার জন্য? কথাটা স্বীকার করে নিলেন পরিচালক। বললেন, ‘‘বসন্তবিলাপ নামে একটা প্রেস রয়েছে। গল্পে যার একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। আর এই প্রেসের মালিক কালজয়ী বাংলা ছবি ‘বসন্তবিলাপ’-এর ভীষণ ভক্ত। পাড়াতুতো প্রেম এখানেও আছে। সব মিলিয়েই...’’ ছবিতে খরাজ মুখোপাধ্যায়, বিহু মুখোপাধ্যায়, বিশ্বনাথ বসুকেও দেখা যাবে।