সম্প্রতি কলকাতা ঘুরে গেলেন সুখবিন্দর সিংহ। গান ও মিষ্টির জন্য কলকাতা চিরকাল তাঁর মনের কাছে থাকবে। ‘‘ক্লাসিক্যাল থেকে রবীন্দ্রসঙ্গীত... কত ধরনের গান আছে এই বাংলার মাটিতে। কলকাতায় এলে মুম্বইয়ের বন্ধুদের জন্যও মিষ্টি নিয়ে যেতে হয়।’’ মিষ্টি করেই সুখবিন্দর বললেন।

তবে গান বিষয়ে ছেলেখেলা নিয়ে বেশ বিরক্ত তিনি, ‘‘কি-বোর্ড প্লেয়ারদের গান বানানোর ট্যালেন্ট নেই। পুরনো কিছু ভাল গান ধরে তার মধ্যে এ দিক-সে দিক মিউজ়িক গুঁজে দাও, ব্যস কাজ শেষ। গান কম্পোজ় করতে প্রতিভা লাগে। অত সোজা নয়।’’ সব ছবিতে এখন যে ভাবে রিমিক্স গান ব্যবহার হয়, তারও বিপক্ষে গায়ক। তাঁর মতে, যদি পুরনো গান ব্যবহার করতেই হয়, তা হলে আসল গানের স্রষ্টা ও শিল্পীদের ক্রেডিট দেওয়া উচিত। রিমিক্স যে বানাচ্ছেন, তার চেয়ে আসল স্রষ্টা সেই কৃতিত্বের অনেক বেশি দাবি রাখেন। তাঁর কথায়, ‘‘ইন্ডাস্ট্রিতে এমন অনেক কম্পোজ়ার আছেন, যাঁরা সব সময় নতুন গান বানান। সেগুলো ভাল চলছেও।’’

‘সোনচিড়িয়া’, ‘কেশরি’তেও সুখবিন্দর প্লে ব্যাক করেছেন। হাতে আছে আরও ছবি। সলমন খানের ‘ভারত’ থেকে শুরু করে রণবীর সিংহের একটি ছবিতেও তিনি গান গাইবেন। তবে সব ছবির নাম তাঁর মনে থাকে না। ‘‘রেকর্ডিংয়ের সময়ে ছবির নাম জিজ্ঞেস করি না। শুনলেও মনে থাকে না। ছবির প্রচারে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময়ে জানতে পারি,’’ বললেন তিনি।

ব্যক্তিজীবনেও খুব ডিসিপ্লিন্‌ড এই গায়ক। ‘‘প্রত্যেক দিন দু’ঘণ্টা যোগব্যায়াম করি। দেড় ঘণ্টা রেওয়াজ। তার পর রেকর্ডিং থাকলে বেরিয়ে যাই। আর ফ্লার্টও করি নিয়ম করে,’’ হাসলেন গায়ক।

তবে এ বার সত্যিই নাকি তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে চলেছেন। ‘‘এই বছরেই বিয়ে করব। পছন্দের পাত্রীও পেয়ে গিয়েছি। তবে কোটি কোটি টাকা খরচ করে আমি বিয়ে করব না,’’ স্পষ্ট জবাব গায়কের।