মাটন  রানদান

উপকরণ 

মাটন ৫০০গ্রাম, সাদাতেল, গোলমরিচ , গোটা জিরে , নারকেলের  দুধ , শুকনো  লঙ্কা ,
হলুদ গুঁড়ো (২ টেবল চামচ), লেবু পাতা , রসুন কোয়া কয়েকটা , পেঁয়াজ ২টো 

প্রণালী

২ টো  পেয়াজ , এক চামচ  জিরে , ৬-৭ টা  শুকনো  লঙ্কা, গোলমরিচ ১২-২৫ টা , ১০ কোয়া  রসুন বেটে করে নিন। 

প্রেসার কুকারে  সাদা তেল দিয়ে বাটা মশলাটা  কষতে দিয়ে থাকুন। এর পর হলুদ দিন।
তেল ছাড়লে , মাংস দিয়ে  পরিমাণ মতো নুন  দিয়ে কষতে  থাকুন। 

২০-২৫ মিনিট কষার পর  ২ কাপ মত নারকেলের দুধ  আর ৩-৪ তে লেবু পাতা
দিয়ে প্রেসার কুকারে বসিয়ে দিন। কুকারের কয়েকটা সিটি দিতে দিন।

সেদ্ধ হলে নামিয়ে  গরম গরম পরিবেশন করুন  স্বাদে  গন্ধে অসাধারণ মাটন  রানদান।

ধন্য ধন্য চিকেন

উপকরণ

চিকেন - ৫০০ গ্রাম • গোটা জিরে - ৪ চামচ • গোটা ধনে - ৪ চামচ • এলাচের দানা - ২  চামচ • গোটা মরিচ - ২  চামচ
• কাঁচা লংকা ও নুন - স্বাদ মতো • কারিপাতা - ৪/৫ টি • আদা - ২ ইঞ্চি • ছোট পেঁয়াজ - ২ টি
• টক দই - ১০০ গ্রাম • সাদা তেল বা সরষের তেল বা অলিভ অয়েল - ১০০ গ্রাম

প্রণালী

চিকেনের টুকরোগুলি টক দই ও নুন মিশিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন।

১ চিমটে জিরে ও ধনে আলাদা সরিয়ে রেখে, বাকি জিরে, ধনে, মরিচ,
এলাচ দানা, আদা, কাঁচা লংকা একসঙ্গে বেটে রাখুন।

কড়াইতে তেল দিন। তেল গরম হলে আঁচ কমিয়ে দিয়ে সরিয়ে রাখা জিরে, ধনে ও কারিপাতা ফোড়ন দিন।

কিছু ক্ষণ পর কুচোনো পেঁয়াজ দিয়ে দিন। পেঁয়াজ লাল হয়ে গেলে আরও তেল দিন।

এর পর বেটে রাখা মশলাটা দিয়ে কষতে থাকুন। মশলার গা থেকে যখন তেল ছাড়তে
শুরু করবে তখন চিকেনটা দিয়ে দিন।

কম আঁচে চাপা দিয়ে প্রায় ২০ থেকে ২৫ মিনিট রান্না করুন।

প্রয়োজনে ১ কাপ গরম জল দেওয়া যেতে পারে।

কুচানো ধনে পাতা ছড়িয়ে রুটি বা সাদা ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

কেসরিয়া রসগোল্লা

উপকরণ

দুধ (১ লিটার) • চিনি (দেড় কাপ) • জল (পরিমাণ মতো) • কেসর (২ চিমটে এক চামচ গরম দুধে ভেজানো)
• লেবুর রস ২ টেবল চামচ অল্প জলে গোলা)

প্রণালী

দুধ জ্বাল দিন। আঁচটা ঢিমে করে দিতে হবে।

আস্তে আস্তে জলে মেশানো লেবুর রসটা ফুটন্ত দুধের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে।

দুধ থেকে সবুজ আভাযুক্ত জল বের হলে বুঝবেন আপনার ছানা তৈরি।

একটি পাতলা মসলিন কাপড়ের মধ্যে ছানাটা রাখুন। ভাল করে কাপড়ের মুখটা বাঁধুন।

বেশ শক্ত করে বাঁধবেন। এ বার ছানায় মোড়া কাপড়টা কলের তলায় ধরুন।
মিনিট ২০ কলের তলায় রাখতে হবে। যাতে ছানা থেকে টক ভাবটা বেরিয়ে যায়।

হাত দিয়ে নরম করে ছানাটা মাখতে থাকুন। এমন ভাবে মাখতে হবে যাতে কোনও ডেলা না থাকে।
মাখার সময় দুধে ভেজানো কেসর দিন। রসগোল্লার আকারে গড়ে নিন।

অল্প আঁচে বসিয়ে একটি ঢাকা দেওয়া পাত্রে চিনির রস তৈরি করুন। রসটা খুব ঘন বা পাতলা হবে না।

চিনির রসের মধ্যে ছানার গোল্লাগুলি ফেলে বেশ কিছু ক্ষণ রাখুন।

মিনিট ২০ পরে আঁচ থেকে নামিয়ে নিন রসগোল্লা। ঠান্ডা হয়ে গেলে পরিবেশন করুন আপনার কেসরিয়া রসগোল্লা।

মটন রানদান

ধন্য ধন্য চিকেন

কেসরিয়া রসগোল্লা

আত্রেয়ী বন্দ্যোপাধ্যায়
(পুণে)

সৌমি মণ্ডল
(শিকাগো)

পিঙ্কি সরকার
(দুবাই)