প্রদর্শনীর নাম ‘সামার কালার কার্নিভাল’। মন্দ আর ভালর দ্বন্দ্বে বহু শিল্পকর্মের কোলাহল অনেক সময়ে কার্নিভালের মেজাজকে এক সুরে বাঁধতে পারে না। তাই বেঙ্গল আর্ট ফ্যাক্টরির মূল উদ্দেশ্য সঠিক ভাবে প্রতিফলিত হয়নি গ্যালারি গোল্ড-এর এই প্রদর্শনীতে। শিল্পীসংখ্যায় রাশ টানা হয়নি, কাজের মান নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন। তবু সীমিত হলেও কয়েক জন নিজেদের কাজের মধ্যে তাঁদের ক্ষমতা ও আত্মবিশ্বাসের ছাপ নিজস্ব সৃষ্টিকর্মে অনুভব করিয়েছেন। স্বশিক্ষিত এবং ডিগ্রিধারীদের মধ্যে উৎকর্ষের তুলনা টানা তাই অর্থহীন।

প্রদর্শনীতে দেখা গেল অ্যাক্রিলিক মাধ্যমে ডালিম সেনের কিছু দীপ্ত রিয়্যালিস্টিক পেন্টিং। অবয়বের দেহে ওই রকম নাটকীয় হাইলাইট, সমগ্র পট জুড়ে আলোছায়ার এক আশ্চর্য কথোপকথন ও নীরব অভিব্যক্তি যে কত প্রাণবন্ত হতে পারে, তা তিনি উপলব্ধি করিয়েছেন ও মনে পড়িয়ে দিয়েছেন শিক্ষক বিকাশ ভট্টাচার্যকে। তেলরঙের ছবির বিভ্রম তৈরি হয়েছে ছবিতে।
ড্রয়িং, কম্পোজ়িশন যথাযথ ভাবেই প্রাঞ্জল।

অমিত বন্দ্যোপাধ্যায় পাশ্চাত্যের বিমূর্ততার প্রতিরূপ ধরতে চেয়েছেন। কিন্তু গঠনের ক্ষেত্রে বড্ড সাদামাঠা। বিমান নাগ শুধু মাত্র বিভিন্ন ওষুধের ফয়েল কাজে লাগিয়ে অনবদ্য ভাস্কর্য গড়েছেন। কাগজ মুড়ে থার্মোকল ইত্যাদি দিয়ে অভ্যন্তরের হালকা কাঠামোর গড়নের উপর পশু-পাখির শরীরকে এক নিপুণ দক্ষতায় ধরে রাখা এই কাজগুলিতে ফয়েলের উচ্চাবচ অবস্থা, তাদের স্বচ্ছ ও অনচ্ছ রূপারোপ যেন চতুষ্পদের সৌন্দর্য ও চরিত্রকে অবিকল প্রতিফলিত করছে। বিশেষত বেড়ালের ছন্দোময় দৃপ্তভঙ্গি ও ময়ূরের পেখম ছড়ানো বা গ্রীবার বঙ্কিম ভঙ্গি অসাধারণ।

সোমেশলাল মুখোপাধ্যায় এক ভাঙা নৌকোর খোলের মধ্যে পলি পড়ে ছোট্ট গাছ গজিয়ে ওঠার মুহূর্ত, একাকী এক কৃষ্ণছাগ, আকাশের মাঝে ঘন মেঘের জমাট নির্জন নিসর্গের আবহকে ভারী দক্ষতার সঙ্গে ক্যামেরাবন্দি করেছেন। চিত্রকল্পে কবিতার আলোকচিত্র যেন।

তাতালের মতো কিছু বিদেশি যন্ত্রের সাহায্যে গামার কাঠের পরিতলে বৈদ্যুতিক তাপমাত্রায় সুভাষচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ, রামকৃষ্ণ, বুদ্ধ প্রমুখের প্রতিকৃতি করেছেন কার্তিক মল্লিক। আশ্চর্য যে, ওই তাপমাত্রার তারতম্যে কাঠের টেক্সচারকে পুড়িয়েই অসামান্য টোন এনেছেন কাজগুলিতে। পেন্সিল বা চারকোলের মতো ছায়াতপ এখানে সম্পূর্ণ অন্য মাধ্যমে চমৎকার ফুটে উঠেছে। মাধ্যম হিসেবে প্যারিস প্লাস্টার দীর্ঘস্থায়ী নয়। সময়বিশেষে ভঙ্গুরও বটে। তাকে মেটালিক গাঢ় খয়েরি রঙে আবৃত করে, উপুড় হওয়া নিরাবরণ নারীর পিঠে ও পাশে দু’টি কাক গড়েছেন। কিন্তু সেই নারীর মাথা এবং হাঁটু থেকে পা কেন অদৃশ্য রাখলেন মাধাই সরকার? ভাস্কর্য হিসেবে এই ধরনের কিছু ত্রুটি চোখে পড়ে।

সুমিত বেরার ছোট কাজগুলো বড্ড ডিজাইন-নির্ভর। পেনের ক্ষুদ্র রেখার সমাহারে প্রিন্টারের রঙিন কালি এবং অ্যাক্রিলিক ব্যবহার করে আধাবিমূর্ত ছন্দে কাজ করেছেন। বাঁধন ঘোষের দু’হাতে ফুলপাখি নিয়ে দাঁড়ানো মেয়ের মুখের শ্রী হারিয়ে যাওয়ায়, হালকা এক ক্রোধের প্রকাশ ঘটিয়েছেন। তাঁর রং নির্বাচন ও তা ব্যবহারের দিকটি আকর্ষণীয়।

দিয়া ভট্টাচার্যের ছবি নানা অদ্ভুত রঙের সমাবেশে উজ্জ্বলতার প্রকাশের মধ্য দিয়ে কী বোঝাতে চাইছে? এতে ফর্ম কোথায়? ভূমির সমান্তরাল রঙের দুর্বলতর ব্যবহার আরও প্রকট। গাছতলায় দাঁড়ানো ঊর্ধ্বাঙ্গ অসংবৃত এক নারীর শরীরী
বিভঙ্গ দেখিয়ে কোন সৌন্দর্যে পৌঁছতে চেয়েছিলেন শ্যামলী কর্মকার? হাত ও বুকের মাঝে থাকা ধাতুর ঘড়ার নিম্ন ভাগের অমন অদ্ভুত ড্রয়িং?

প্লাস্টার অব প্যারিসে করা নেপাল দাসের ছোট্ট ভাস্কর্যের নারীর মধ্যে ভারতীয় প্রস্তর-দেবীমূর্তির চেতনার পাশাপাশি উন্মুক্ত স্তনযুগল, উদরাংশ বড্ড চোখে লাগে। বেঢপ। নতমস্তক নারীর পিছনে পাখার ছিন্ন অংশের মানে ঠিক কী? প্রীতম ঘোষের জলে চরা ও উড়ে যাওয়া হাঁসেদের মুহূর্তকে আপাতদৃষ্টিতে কেমন আলোকচিত্রের অনুসরণ মনে হয়। অভিজিৎ দাস বিভিন্ন গাছের শাখাপ্রশাখাকে কেটে ও কুঁদে গড়েছেন আশ্চর্য মুখাবয়ব। বেশ উপভোগ্য কাজ। এমনকী সাবান দিয়েও গড়েছেন ‘ক্রাইম’। নানা রকম মাধ্যমেই ভাস্কর্য গড়েন অভিজিৎ। প্রদর্শনীতে ছিল সৌমেন দত্ত, রূপা মণ্ডল, সৌমেন চক্রবর্তী, সৈকত দে, দেবশ্রী আশরা, নিহা আগরওয়াল-সহ অন্যান্য শিল্পীর কাজ।

অতনু বসু

 

 

নৃত্যের তালে তালে

পলি গুহ

সম্প্রতি আইসিসিআর রঙ্গমঞ্চে সম্রাট দত্তের ভরতনাট্যম নৃত্যশিক্ষা কেন্দ্র অঙ্গমন্ত্র-র শিল্পীদের সমবেত নৃত্য পরিবেশনা উপভোগ করা গেল। এঁদের প্রথম অনুষ্ঠান ছিল ‘পুষ্পাঞ্জলি’, ‘গণেশবন্দনা’ ও ‘আল্লারিপু’। তাল: মিশ্র চাপু, রাগ: নবরস কান্নাড়া। দ্বিতীয় নিবেদন ‘গুরুপূজা’। এতে মহান নৃত্যশিল্পী পদ্মভূষণ গুরু সি ভি চন্দ্রশেখরকে নৃত্যের মাধ্যমে বরণ করে নেন সম্রাট দত্ত এবং তাঁর কেন্দ্রের শিল্পীরা। এর পরে ছিল ‘কীর্তনম’। এর রাগ: দুর্গা, তাল: আদি। ‘শিবের গুণকীর্তন’-সমৃদ্ধ অনুষ্ঠানটিও ছাত্র-ছাত্রীদের সমবেত নৃত্য পরিবেশনা, পদবিন্যাস, অভিনয়, দেহভঙ্গিমা ইত্যাদির নৈপুণ্যে প্রশংসার দাবি রাখে।

এর পর সম্রাট দত্তের একক পরিবেশনায় ছিল ভজন ‘শঙ্করা রুদ্র রূপ দিখলাহ’। তিনি যে এক জন পরিণত ভরতনাট্যম নৃত্যশিল্পী, তাঁর নৃত্যেই সেই স্বাক্ষর বিদ্যমান। মনোজ্ঞ এই অনুষ্ঠানের অন্তিম নিবেদন ছিল গুরু সি ভি চন্দ্রশেখরের একক নৃত্য উপস্থাপনা।

প্রফেসর সি ভি চন্দ্রশেখর দেশীয় তথা আন্তর্জাতিক স্তরের এক জন কিংবদন্তি ভরতনাট্যম শিল্পী। তাঁর প্রতিটি নৃত্য উপস্থাপনা দর্শকের মন ভরিয়ে দেয়। বিশেষত রবীন্দ্রনাথের ‘মোর মালতীলতা দোলে’ গানে তাঁর নৃত্যমাধুর্য এক অন্য মাত্রা এনে দেয়। ‘দোলে’ শব্দটির সঙ্গে তাঁর হাতের ও দেহের ভঙ্গিমা অবিস্মরণীয়।

অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দেবাশিস কুমার, গৌতম দে, অরুণাভ রায় এবং মালবশ্রী দাস।

নৃত্যে অংশগ্রহণ করেন শ্রেয়সী বসু, রিতিকা দাস, পূর্বাশা অধিকারী, শান্তনু রায়, প্রীতম দাস ও কৌশিক পাল। বিভিন্ন সঙ্গতকারী শিল্পীর মধ্যে ছিলেন কণ্ঠে জ্যোতিস্মৃতি ও শ্রীজিৎ, নাট্যভঙ্গমে মোহনা আইয়ার, মৃদঙ্গমে ভি বেদকৃষ্ণ রাম ও বেহালায় ঈশ্বর রাম। এ ছাড়া আলোকসম্পাতে উত্তীয় জানা, মঞ্চ পরিকল্পনায় টুনু সাউ। সমগ্র অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা-দায়িত্বে ছিলেন গৌরী বসু। দর্শককে এমন সর্বাঙ্গসুন্দর একটি প্রযোজনা উপহার দেওয়ার জন্য অঙ্গমন্ত্রের প্রাণপুরুষ সম্রাট দত্ত অবশ্যই ধন্যবাদের প্রাপক।

 

সিস্টেমের বিরুদ্ধে সোচ্চার

তীর্থঙ্কর চন্দ ও শ্যামল চক্রবর্তীর দুর্দান্ত যুগলবন্দিতে রঙ্গলোকের একাধিক মঞ্চসফল প্রযোজনা দর্শকের প্রত্যাশা বেশ বাড়িয়ে দিয়েছিল। তার উপরে সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো প্রচারের ফলে তাদের সাম্প্রতিকতম প্রযোজনা ‘হন্তারক’ নিয়ে উৎসাহ ও উদ্দীপনা ছিল তুঙ্গে। তীর্থঙ্কর চন্দের এই নাটকের বিষয় গণতন্ত্র নামক ‘জনকল্যাণকামী’ সিস্টেমের রন্ধ্রে রন্ধ্রে লুকিয়ে থাকা রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস— যা শুধু আমাদের মধ্যবিত্ত মন ও যাপনকে ভীত-সন্ত্রস্তই করে রাখে না, বরং ওই বীভৎস অন্যায়ের মুখোমুখি থাকা কোনও কোনও ব্যক্তিকে ওই সিস্টেমের বিরুদ্ধে বিদ্রোহীও করে তোলে। সেই বিরাট পাওয়ার স্ট্রাকচার ধ্বংস করতে হয়তো ব্যক্তিই তখন হয়ে ওঠে হন্তারক তথা খুনি! পেশায় অধ্যাপক ড. খাসনবিশ তেমনই এক জন, যে রাষ্ট্র ও প্রশাসনের মাধ্যমে আমাদের চারপাশে ঘটে চলা নানা নারকীয় অন্যায়ের প্রতিবিধানে স্বয়ং হয়ে ওঠে এক হন্তারক! শেষে সাত-সাতটি ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের পর স্বেচ্ছায় ধরা দেওয়া মানুষটির যখন ফাঁসির দিন স্থির হয়ে গিয়েছে, তখন বিশেষ টিভি চ্যানেলের উদ্যোগে এক লাইভ সাক্ষাৎকারের সৌজন্যে দেশবাসীর সামনে সে সুযোগ পেয়ে যায় আত্মপক্ষ সমর্থনের। আর এখান থেকেই শুরু
হয় নাটক।

শ্যামল চক্রবর্তী এই প্রযোজনায় পরিবেশনের যে ভঙ্গিটি নিয়েছেন, তা আদ্যন্ত বিবৃতিমূলক। সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে ড. খাসনবিশ একের পর এক ঘটনার বর্ণনা দিয়ে যায়। কোন কারণ তথা কিসের প্রতিক্রিয়ায় তাকে খুন করতে হয়েছে। তখন সেই ঘটনার প্রেক্ষিতগুলি মঞ্চের বাঁ দিকে প্রোজেক্টর মেশিনের সাহায্যে লাইভ টিভি শো হিসেবে পর্দায় ভেসে ওঠে।

সোশ্যাল মিডিয়ার এই যুগে আমরা সকলেই এ ধরনের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস এবং অন্যান্য অন্যায়ের সঙ্গে কমবেশি পরিচিত। তফাত শুধু চোখে আঙুল দিয়ে সেগুলি দেখানোর কায়দায়। ফলে প্রত্যাশিত নাট্যদ্বন্দ্ব কিছুই নেই। সাক্ষাৎকারের মাঝে পুলিশ-গার্ডের হাত থেকে বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে এবং সাংবাদিকের মাথায় ট্রিগার ধরে, ড. খাসনবিশের সাক্ষাৎকার চালিয়ে যাওয়ায় সামান্য নড়েচড়ে বসার সুযোগ হলেও— কিছু পরেই বোঝা যায়, আগের ও পরের ঘটনাপ্রবাহের বিশেষ কোনও নাটকীয় পার্থক্য আদৌ গড়ে ওঠেনি।

হাড় হিম করা সন্ত্রাসের বিভিন্ন ঘটনা এমনিতেই স্পর্শকাতর। কিন্তু ‘ড. খাসনবিশ’ চরিত্রে সঞ্জীব সরকার এমনই লম্ফঝম্প করে হাততালি কুড়োনোর চেষ্টা করেছেন যে, তাতে অনেক নাট্যদৃশ্যকেই তিনি বালসুলভ চাপল্যে নষ্ট করে ফেলেছেন। সংলাপ বলার সময়ে হঠাৎ হঠাৎ উঠে দাঁড়িয়ে, তাঁর হাত উপরে তুলে মুদ্রার ভঙ্গিটি বহু ব্যবহারে জীর্ণ। এখানে তার কোনও প্রয়োজনও ছিল না।

আলো ও আবহ নিঃসন্দেহে মনোযোগ দাবি করে। মঞ্চ প্রথমাবধি স্থবির। সাংবাদিকের চরিত্রে সঞ্জিতা চোখেমুখে প্রাণপণে নিজেকে চেনানোর চেষ্টা করেছেন। অন্যান্যদের তেমন কিছু করার ছিল না। বারবার মনে প়ড়ছিল, প্রায় একই বিষয় নিয়ে রঙ্গলোকের ছোট নাটক ‘সামান্য ক্ষতি’ কিন্তু অনেক বেশি মন ছুঁয়েছিল অভিনয় এবং প্রত্যক্ষ নাট্যদ্বন্দ্বের গুণে!    

মলয় রক্ষিত

অনুষ্ঠান

• সম্প্রতি উত্তরপাড়ার গণভবনে উত্তরপাড়া রাগরঞ্জনী আয়োজন করেছিল একটি মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানের। উদ্বোধনী সঙ্গীত, বিশ্বচেতনায় বিশ্বকবি, ভাঙা গান, উদ্দীপক গান, একক গানের পরে উপস্থাপিত হয় নৃত্যগীতি আলেখ্য ‘তাসের দেশ’। এ দিনের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন রাতুল গঙ্গোপাধ্যায়, আর্জিকা ঘোষ, শুভায়ন মিত্র, অঙ্গনা মুখোপাধ্যায়, দেবযানী রায়, শিল্পী আঢ্য, কৌশিক বসু, সূর্যোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়ক বসু, সৌমী তালুকদার, সুপ্রিয়া দত্ত, কৌশিক চক্রবর্তী, রুদ্রাভ নিয়োগী, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, পার্থ মুখোপাধ্যায়, অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, সন্দীপ সেনগুপ্ত প্রমুখ। গোটা অনুষ্ঠানটি পরিকল্পনা এবং পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন সৌমিত রায়।

 

• শিশির মঞ্চে আয়োজিত হল রবীন্দ্র সন্ধ্যা। আয়োজন করেছিল দেবব্রত বিশ্বাস স্মরণ কমিটি। এ দিনের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন রত্না মিত্র, ডালিয়া দাস, সর্বাণী রায়চৌধুরী, জুঁই দে, বিধানচন্দ্র পাল, সুজয় রায়চৌধুরী, ইনা বাগচী, মনোময় ভট্টাচার্য, সৈকত মিত্র, অচিন মুখোপাধ্যায়, উৎসব দাস, অনন্যব্রত দাস, রণদেব মজুমদার, বহ্নিশিখা বন্দ্যোপাধ্যায়, সঙ্গীতা মজুমদার, রেখা চক্রবর্তী ও বৈতালের শিল্পীবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন তাপস চৌধুরী। যন্ত্রানুষঙ্গে ছিলেন শিউলি বসু, রানা দত্ত, গৌতম দত্ত। উপস্থিত ছিলেন কুনাল সরকার, পঙ্কজ সাহা প্রমুখ।