হেঁশেলে নুন, চিনি বা বেসন, সুজির কৌটোয় মাঝেমাঝেই হানা দেয় পিঁপড়েবাহিনী বা পোকারা। ফলে নষ্ট হয় রান্নাবান্নার অনেক উপকরণই। কয়েকটি সহজ উপায় অবলম্বনে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

• চিনিতে পিঁপড়ে হওয়াটা বেশ স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু চিনির কৌটোয় যদি রেখে দেন কয়েকটি গোটা গোলমরিচ বা লবঙ্গ, তা হলে আর পিঁপড়ের দল ওমুখো হবে না।

• খেতে বসে নুনের কৌটো থালায় উপুড় করলেও নুন পড়ছে না। ভিতরে নুন জমাট বেঁধে গিয়েছে। তা থেকে মুক্তি পেতে নুনের পাত্রে অল্প করে চাল ভরে নিন। তার পরে নুন রাখুন। নুনে জল কাটবে না।

• ফ্রিজে মাঝেমাঝেই কেমন যেন গন্ধ বেরোয়। এই গন্ধ দূর করতে একটা আস্ত রসুন রেখে দিন কোনও একটা তাকের এক কোনায়। গন্ধ উবে যাবে নিমেষে।

• সুজি বা চালের গুঁড়ো অনেক দিন বন্ধ কৌটোয় পড়ে থাকলে, তাতে এক ধরনের ছোট ছোট পোকা হয়। তাই ব্যবহার না করলেও মাঝেমাঝে তা বার করে থালায় ছড়িয়ে রোদে দিন। আর কৌটোয় ভরে রাখার সময়ে তার মাঝে রাখুন দু’-একটা গোটা শুকনো লঙ্কা।

• কফির প্যাকেট খুলে দেখলেন কফি আর গুঁড়ো নেই, ছোট ছোট দলায় বদলে গিয়েছে। তাই এ বার থেকে ফ্রিজে রাখুন কফি।

• ধনে পাতা ফ্রিজে রাখলেও কি নষ্ট হয়ে যায়? ধনেপাতার শিকড়ের মাটি লাগা অংশ কেটে বাদ দিন। তার পরে জলে ধুয়ে জল ঝরিয়ে শুকনো করে ভরে রাখুন এয়ারটাইট কনটেনারে। এ বার সেটা রাখুন ফ্রিজে। দু’দিন, তিন দিন পরেও বার করে ব্যবহার করতে পারবেন। আবার শিকড় ছাড়াতে না চাইলে ধনেপাতার শিকড়ের দিক একটা গ্লাসে জল ভরে তাতে ডুবিয়ে রাখুন, গাছের মতো। তার পর খোলা জানালার পাশে রেখে দিন। দিব্যি ফুরফুরে থাকবে!

• আবার ব্রাউন সুগারও কৌটোবন্দি থাকলে জমাট বেঁধে যায়। তা রুখতে ওই কৌটোতেই এক টুকরো আপেল রেখে দিন। ব্রাউন সুগার নরম থাকবে।