• 1
  • জয়দীপ মুখোপাধ্যায়
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

হকির হিরো

গত কাল ছিল ধ্যানচাঁদের জন্মদিন। তাঁরই শিষ্য, চারটি অলিম্পিক পদকজয়ী ‘বাঙালি’ কিংবদন্তি হকি প্লেয়ার লেসলি ক্লডিয়াস। মাঠের বাইরেও নায়ক।

1
১৯৮৯ সালে দিল্লিতে নেহরু হকি টুর্নামেন্টে লেসলি ক্লডিয়াস। ছবি: আর কুমার
  • 1

মল্লিকবাজারের খ্রিস্টান কবরখানার মেন গেটের সামনে সকাল আটটায় আমাদের সঙ্গে লেসলি ক্লডিয়াসের দেখা হওয়ার কথা। লেসলিকে নিয়ে তথ্যচিত্র, তাঁর উৎসাহের শেষ নেই। আর লেসলি ভীষণই পাংচুয়াল। কিন্তু সে দিন আটটা বেজে গেল। দু-পাঁচ মিনিট চায়ের ভাঁড়ের গড়িমসিতে কেটে গেলেও লেসলির দেখা নেই। আমরা ক্যামেরা-ট্যামেরা নিয়ে কী করব বুঝে উঠতে পারছি না। ওঁর মোবাইল ফোন নেই। বাড়ির ফোনও বেজে বেজে কেটে যাচ্ছে বার বার। হঠাৎই ভেতর থেকে এক গেটম্যান বেরিয়ে এসে আমাদের দেখে জিজ্ঞেস করল, আমরা কি ক্লডিয়াস সাহেবের জন্য অপেক্ষা করছি? ‘হ্যাঁ’ জানাতে, সে বলল, সকাল ছ’টা থেকে উনি ভেতরেই আছেন। আমাদের ডাকছেন। ইউনিটের সকলে অবাক-অবাক মুখ করে ভেতরে ঢুকতেই দেখি বেশ দূরে একটা কবরের পাশে নীরব-নিঃসঙ্গ ক্লডিয়াস। রঙিন ফুলে সেই কবরটা সাজিয়ে দিচ্ছেন।
আমাদের দেখে লেসলি মাথা নাড়লেন। স্মৃতি-ফলকের দিকে ইশারা করলেন। লেসলির ছোট ছেলে ববির সমাধি। সদ্য যৌবনে পথ-দুর্ঘটনায় মৃত প্রতিশ্রুতিমান ভারতীয় হকি-তারকা রবার্ট ‘ববি’ ক্লডিয়াস। লেসলিকে যত দিন দেখেছি— তাঁর শেষ জীবনের বছর দশেক, ক্যামেরা নিয়ে তাঁর অন্তরঙ্গ মুহূর্তগুলোকে তাড়া করে বেড়িয়েছি। কিন্তু লেসলির চোখে জল ওই এক দিনই দেখেছি।
আর তাঁর দুঃখের কথা শুনেছি দুটো। কাস্টম্‌স ক্লাবের তাঁবুতে ছোট্ট সবুজ অংশে হেলানো চেয়ারে গা এলিয়ে দিয়ে এক লম্বা সাক্ষাৎকারে লেসলি ক্লডিয়াস জানিয়েছিলেন তাঁর জীবনের সবচেয়ে শোকের দুটো মুহূর্তের কথা। প্রথমটি অবশ্যই ববির মৃত্যু। ১৯৭৮ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে খেলেছিলেন ববি। ১৯৮২-র বিশ্বকাপের দল ঘোষণার আগেই ভারতীয় দলে জায়গা নিশ্চিত করে ফেলা ববিকে হঠাৎ কেড়ে নিয়েছিল এক দুর্ঘটনা। সে শুধু লেসলির একার শোকই নয়, নড়ে গিয়েছিল গোটা কলকাতা। কারণ, ববি জন্মগত ভাবে কলকাতার, খেলায় কলকাতারই প্রতিনিধিত্ব করতেন।

আর লেসলির জীবনে দ্বিতীয় দুঃখ হল ১৯৬০ সালে রোম অলিম্পিকের ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ১-০ গোলে হেরে সোনা হাতছাড়া করা। লেসলি বলেছিলেন, পাকিস্তান ভাল খেলে জেতেনি, ভারত খারাপ খেলে হেরেছিল। অধিনায়ক হিসেবে সেই ব্যর্থতা তিনি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ভুলতে পারেননি। তার আগের তিনটে অলিম্পিকেই সোনা জিতেছিল ভারত, রোম অলিম্পিকেও জিতলে লেসলি ক্লডিয়াসের চারটে সোনা হত।

আর তাঁর জীবনের সবচেয়ে ঝকঝকে মুহূর্ত? মুখ ঝকঝক করে উঠেছিল এক ঝলকে। ১৯৪৮ সালের লন্ডন অলিম্পিক। ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা হাতে লেসলি ভারতীয় ক্রীড়া-সদস্যদের সবার আগে। জাতীয় সংগীত বেজে উঠেছিল। সব দর্শক উঠে দাঁড়িয়ে ভারতীয় হকি দলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিল। কারণ, ভারতীয় হকি দল তখন ছিল অপ্রতিরোধ্য। আগের প্রায় সব অলিম্পিকে ধারাবাহিক ভাবে সেরা। ভারতীয় হকি দলের সদস্য হয়ে এই ঐতিহাসিক মুহূর্ত লেসলি ক্লডিয়াসকে সারা জীবন সুখ দিয়েছে। তাঁর মনে হয়েছিল, সেই মুহূর্তে তিনি যেন স্বর্গে বিচরণ করছিলেন।

লিয়েন্ডার পেজ তখন কলকাতায় আছেন। লেসলিকে বললাম, যদি লিয়েন্ডার আপনার সম্পর্কে কিছু বলেন, তথ্যচিত্রটা খুব ভাল হবে। লিয়েন্ডার তো তাঁর প্রিয় ‘আংকল লেস’ সম্বন্ধে বলার জন্য এক পায়ে খাড়া। সকাল দশটায় সময় দিলেন বালিগঞ্জের এক অতি-বিখ্যাত ক্লাব চত্বরে। সেখানে আবার শুটিংয়ের জন্য বিকেলের দিকে একটা ভেটারেন দলের মধ্যে বিশেষ হকি ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছিল। বান্টি সিংহ, এইচ গুহ, বীরবাহাদুর ছেত্রী, কেশব দত্তের মতো বেশ কিছু প্রাক্তন হকি তারকাকে সেই ম্যাচের জন্য পেয়েও গেলাম। কিন্তু সেটা তো বিকেলে। লিয়েন্ডার আসবেন সকালে। আমরা এক ঘণ্টা আগেই পৌঁছে গেলাম বালিগঞ্জের সেই অভিজাত ক্লাব মাঠে।

মুশকিল হল, ক্লাবের দারোয়ানকে বার বার বলা সত্ত্বেও আমাদের ক্লাবের ভেতর ঢুকতে দিল না। সে তো লেসলিকে চেনেই না। ক্লাব-কর্তারাও কোনও নির্দেশ দিয়ে যাননি। সকালবেলায় তাঁরা কেউ আসেনওনি। লেসলি ক্লডিয়াসকে সেই প্রথম অপমানিত হতে দেখলাম। তিনি অনায়াসে আমাদের ছেড়ে সেই মুহূর্তে চলে যেতে পারতেন। গেলেন না। ফুটপাতে বসে রইলেন, ভাঁড়ে চা খেলেন। লিয়েন্ডার গাড়ি নিয়ে ঢুকতে গিয়ে লেসলিকে ওই ভাবে ফুটপাতে বসে থাকতে দেখলেন। ব্যস, তিনি ক্লাব কর্তৃপক্ষের ওপর রেগে কাঁই! লিয়েন্ডার তখন সসম্মানে লেসলিকে নিয়ে নিজে ভেতরে ঢুকে গেলেন। তার পর আমরাও ঢুকলাম, শুটিং করলাম। লিয়েন্ডারের বাইট নেওয়া হল। লিয়েন্ডারের বাবা ভেস পেজ-ও ছিলেন কিংবদন্তি হকি খেলোয়াড়। তা ছাড়া, অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান কমিউনিটির ব্র্যান্ড অ্যামবাসাডর বলা যেতে পারে লেসলি ক্লডিয়াস-কে। ছোটবেলা থেকে লিয়েন্ডার লেসলিকে দেখেছেন, উপদেশ নিয়েছেন। স্বপ্ন দেখেছিলেন, তিনিও এক দিন লেসলি ক্লডিয়াসের মতো চার-চারটি অলিম্পিকে প্রতিনিধিত্ব করবেন। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, পর পর চারটে অলিম্পিকে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা যেমন সম্মানের, তেমনই চারটে অলিম্পিকের মধ্যে পেরিয়ে যাওয়া বারোটা বছর ধরে শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতার চূড়ায় থাকা, যে কোনও খেলোয়াড়ের পক্ষে ভীষণ কঠিন। পরে অবশ্য লিয়েন্ডার দেখিয়ে দিয়েছেন ইচ্ছেশক্তি, পরিশ্রম আর প্রতিভার মিশেলে এক জন খেলোয়াড় তাঁর শারীরিক সক্ষমতার সেরা পর্যায়ে কত দিন ধরে থাকতে পারেন!

যাই হোক, লিয়েন্ডার তো একটা নাগাদ চলে গেলেন। বিকেলে প্রাক্তনদের হকি খেলা। আমরা ভারতীয় দলের হালকা নীল-রঙা জার্সি বানিয়েছিলাম। ১০ নম্বর জার্সিটায় ‘ক্লডিয়াস’ লেখা ছিল। লাঞ্চের পর তা তুলে দেওয়া হল লেসলিকে। দুপুরের রোদ তখন মরে এসেছে। আমরা ট্রলি লাইন পাতছি, ক্যামেরা বসাব। হঠাৎ দেখি, আমার ছেলে, আর আমার সহ-পরিচালকের ছেলে, দুজনেরই বয়স তখন সাত-আট হবে— ওদের হকিস্টিক নিয়ে স্কিল শেখাচ্ছেন স্বয়ং লেসলি! বয়স তখন তাঁর ৭২ হবে।

বিকেলের শেষে মাঠে ফ্লাডলাইট জ্বলে উঠল। শুরু হল খেলা আর শুটিং। লেসলি কিন্তু সে দিনও সেরা। আর তার পরে ঘটল একটা মজার ব্যাপার। এক ঝাঁক কর্মকর্তা এসে সকালের ঘটনার জন্য লেসলির কাছে দুঃখ প্রকাশ করলেন, সঙ্গে তাঁকে সেই ক্লাবের আজীবন সদস্যপদ দিলেন, তাঁর সম্মানে রাতে ক্লাবে আয়োজন করা হল এক ঝলমলে পার্টি।

লেসলির মুখে যত দূর শুনেছি, বা তাঁর যৌবনের যে ক’টা ছবি দেখেছি, তাতে গল্পের পর গল্প। তাঁর দুরন্ত সৌন্দর্য আর ফ্ল্যামবয়েন্ট জীবন তখনকার তরুণদের প্রচণ্ড আকর্ষণ করত। হাই-সোসাইটি মজে থাকত তাঁর প্রেমে। ক্রীড়াপ্রেমীরা মজে থাকতেন তাঁর খেলোয়াড়ি দক্ষতায়। এ অনেকটা জর্জ বেস্টের জনপ্রিয়তার সঙ্গে তুলনীয়।

সেই ফ্ল্যামবয়েন্স কোনও দিনই ফুরোয়নি। লেসলির নাতনি, অর্থাৎ ছেলে ব্র্যান্ডেনের মেয়ের জন্মদিন। খুব হইচই-হুল্লোড় রেঞ্জার্স ক্লাবে। নিমন্ত্রিত অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান পরিবারগুলো আনন্দে মেতেছে। আধুনিক ইংরেজি পপ গান হচ্ছে মাইকে। পার্টি মাতিয়ে রেখেছে নতুন প্রজন্ম। সবাইকে অবাক করে বাহাত্তরের লেসলি হঠাৎই যুবক হয়ে গেলেন। ডান্স ফ্লোর মাতালেন টুইস্ট নাচে— প্রায় পাক্কা এক ঘণ্টা। একটুও বেসুরো হল না পা, একটুও বেতালা হল না শরীর। আমরা প্রস্তাব দিলাম— লেসলি, চলুন, আউটডোরের কতগুলো শট বাকি, সেগুলো নিয়ে নিই। লেসলি বলে দিলেন— উঁহু, প্রথমে দারু, তার পর শুটিং। আমরা বললাম, না— প্রথমে শুটিং, তার পর দারু। কিন্তু নাছোড়বান্দা লেসলি— অবশেষে তাঁর কথাই রাখতে হল।

লেসলি ওয়াল্টার ক্লডিয়াস— তাঁর পুরো নাম। বাবার নাম জুড়ে গেছে নামের সঙ্গে— ওয়াল্টার ক্লডিয়াস। বাবার ওপর খুব অভিমান ছিল লেসলির। তাঁদের ছিল বিলাসপুরে ছোট্ট ছিমছাম রেল কোয়ার্টার্স, বাংলো-বাংলো বাড়ি। এখন নির্জন। পায়রা বক-বকম করে। বহু দিনের অব্যবহৃত দরজা খুলতে গেলে ‘ক্যাঁচ’ করে ভৌতিক শব্দ হয়। আমাদের সঙ্গে লেসলি গেলেন সেই বাড়িতে। কেউ নেই এখন। ভাইবোনদের মধ্যে জীবিত যাঁরা, অধিকাংশ অ্যাংলো-ইন্ডিয়ানদের মতো চলে গেছেন ভিনদেশে— কেউ কানাডায়, কেউ অস্ট্রেলিয়ায়। লেসলি শেষ জীবন অবধি কলকাতায়। বিলাসপুর-ত্যাগী হয়েছিলেন কৈশোরে। স্কুল পালিয়ে প্রতিবেশী পরিচারকদের সঙ্গে ফুটবল খেলাকে বাড়ির লোক প্রশ্রয় দেয়নি। লেসলি পালিয়ে চলে আসেন খড়্গপুরে, বি.এন.আর ফুটবল টিমে। চাকরিও জোটে, খেলার সুযোগও। আমাদের সঙ্গে লেসলি বিলাসপুরে গিয়েছিলেন চল্লিশ বছর বাদে। তাঁর স্কুলের শতবর্ষও ছিল। রেলওয়ে ইস্কুল। সেই রেল-মাঠ, সেই পুরনো গির্জা— নস্টালজিয়ায় ডুবে গিয়েছিলেন লেসলি। খুব কষ্ট হল তাঁর বাবার সমাধিস্থল খুঁজে বের করতে। কবরখানার কেয়ারটেকার জরাজীর্ণ নথিপত্র ঘেঁটে জায়গাটা দেখিয়ে দিলেন। বাবার সমাধির সামনে হাঁটু মুড়ে বসে পড়লেন লেসলি। মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রার্থনা করলেন। লেসলিরা ক্যাথলিক নন। প্রোটেস্টান্ট। গির্জায় প্রার্থনা করলেন, আর ছোটবেলার স্মৃতি জড়ানো জায়গাগুলো দেখালেন। বিলাসপুরের মানুষ এখনও লেসলিকে মনে করেন মধ্যপ্রদেশীয়, কলকাতা মনে করে লেসলি বাঙালি।

লেসলির মুখে অনেক বার শুনেছি তাঁর প্রিয় গুরু জো গ্যালিবার্ডির কথা। গ্যালিবার্ডি কলকাতায় পোর্ট কমিশনার্সে থাকার সময় লেসলিকে ফুটবলার থেকে হকি খেলোয়াড় বানান। সেই জো গ্যালিবার্ডি, বিশ্বযুদ্ধেরও আগে ধ্যানচাঁদের সঙ্গে খেলা হকি-তারকা। বহু দিন হল লন্ডনে আছেন। তথ্যচিত্রটা যখন আমরা তুলছি, তখন তাঁর নব্বইয়ের ওপরে বয়স (তিনি মারা গিয়েছেন ২০১১ সালে)। আমরা লন্ডনে খুঁজেপেতে পেয়ে গেলাম তাঁকে। স্মৃতিশক্তি প্রায় হারিয়ে গিয়েছে। বয়সের ভারে ধুঁকছেন। কারণে-অকারণে কাঁদেন, কারণে-অকারণে হাসেন। কিন্তু এক-বুক হৃদয়। কলকাতায় থাকি শুনে তিনি আমাদের কাছে জানতে চাইলেন মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল দলের কথা, পার্ক স্ট্রিটের কথা, আর বার বার ঘুরেফিরে লেসলির কথা। ষাট বছর পরেও যাঁর স্মৃতি জো গ্যালিবার্ডিকে এখনও কাঁদায়, এখনও আনন্দ দেয়।

লেসলির মুখেই শোনা একটা গল্প দিয়ে লেখা শেষ করব। বোঝা যাবে, মানুষটা কত বড় মাপের। ১৯৪৮ সালের অলিম্পিক। ভারত সেমিফাইনাল খেলছে। প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস। সেই অলিম্পিকে ভারতের গ্যারি গ্লাকেন তখনও পর্যন্ত একটা ম্যাচও খেলেননি। তখন নিয়ম ছিল, কোনও প্লেয়ার যদি অলিম্পিকে কোনও ম্যাচই না খেলেন, তা হলে দল জিতলেও তিনি পদক পাবেন না। খেলা প্রায় শেষ। ভারত ২-১ গোলে জিতছে। মিনিট পাঁচেক আগে লেসলির মাথায় একটা বুদ্ধি খেলে গেল। লেসলি, কেশব— আরও দু-এক জন প্রায় জবরদস্তি করে বলবীর সিংহ (সিনিয়র)-এর টি-শার্ট খুলে, সাইডলাইনে বসা গ্লাকেনের গায়ে পরিয়ে দিয়ে, মাঠে নামিয়ে দিলেন (মনে রাখতে হবে, তখন জার্সিতে কারও নাম লেখা থাকত না)! এর পর ভারত গ্রেট ব্রিটেনকে ফাইনালে হারিয়ে অলিম্পিকে সোনা পেয়েছিল। আর স্বর্ণপদক জুটেছিল অন্য সকলের মতো গ্যারি গ্লাকেনেরও!

 

jaydip63@gmail.com

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন