The entrance of Jewish Synagogue
সায়ন্তনী সেনগুপ্ত
এই কলকাতার বুকে লুকিয়ে থাকে কত টুকরো ছবি, আর হারানো স্মৃতি। ইহুদিদের উপাসনালয় মাগেন ডেভিড সিনাগগ এমনই এক জায়গা।
২৬ জুন, ২০১৮
GPO
সৃজন দে সরকার
সকাল থেকে দুপুর গড়িয়ে গোধূলি অবধি কলকাতা জিপিও-র অফিসপাড়া জেগে থাকে। তারপর রোদের তেজ একটু ঝিমোতেই এখানে ধীরে ধীরে আসতে শুরু করেন ক্রেতা-বিক্রেতারা।
২০ এপ্রিল, ২০১৮
Chitpur Road
তারাপদ সাঁতরা
শোভাবাজার স্ট্রিট, পশ্চিমে গঙ্গার ঘাট অবধি প্রসারিত। এ রাস্তায় বাঁ-হাতি পড়বে বিখ্যাত ঔষধবিক্রেতা বটকৃষ্ণ পালের তিনতলা বাড়ি, যেটিকে দেশি ও বিদেশি স্থাপত্যশৈলীর সংমিশ্রণে গঠিত এক অভিনব অট্টালিকা বলা চলে। পালমশায়ের নির্মিত অনুরূপ স্থাপত্যের আর একটি দোকান বাড়ি দেখা যায় বনফিল্ডস লেনে।
২১ জুলাই, ২০১৭
Chitpur Road
তারাপদ সাঁতরা
কুমোরটুলিই ছিল সেকালের নানাবিধ প্রতিমার গড়ন ও চালচিত্র বা সরা-পিঁড়ি চিত্রাঙ্কণের ডাকসাইটে শিল্পকেন্দ্র।
০৫ জুলাই, ২০১৭
Chitpur Road
কোনওকালের সাহেববাড়িতে লাগানো ফলকটি হাতফিরি হয়ে স্থান পেয়েছে এই ভবনে, মালিকের অলঙ্করণ প্রীতির নিদর্শন হিসেবে।
২৬ জুন, ২০১৭
Chitpur Road
তারাপদ সাঁতরা
শুরু করেছি বাগবাজারের খাল ছাড়িয়ে আরও উত্তর থেকে। চিৎপুরের খাল অর্থাৎ বাগবাজারের খাল কাটা হয় ১৮৩৩ নাগাদ। খালের মুখে কলের দরজা— স্লুইস গেট। হুতোম বলেছেন, এক সময় দর্শনীয় ছিল সেই দরজা খোলা আর বন্ধ করা।
২৪ জুন, ২০১৭
Howrah Bridge
তারাপদ সাঁতরা
যানবাহন ও লোক পারাপারের চাপে যখন যানজট নিয়ত চলতে থাকে সে সময়েই দ্বিতীয় হুগলী সেতুর পরিকল্প গ্রহণ করা হয় এবং বর্তমানে তৈরি করা হয়েছে প্রিন্সেপ ঘাটের কাছ বরাবর বিদ্যাসাগর সেতু।
১১ জুন, ২০১৭
Howrah Bridge
তারাপদ সাঁতরা
তবে সেতুর স্থান সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত আপাতত মুলতুবি রেখে আদেশ দেওয়া হল, নদীর যে অন্তমৃত্তিকার উপর সেতুর থাম বসানো হবে তার প্রকৃতি সম্বন্ধে তথ্য সংগ্রহের জন্য বিলেতের দুজন অভিজ্ঞ বেধনকারীকে পাঠানো হবে কলকাতায়।
১০ জুন, ২০১৭
Bow Barrack
লাল টুকটকে ইটের বুড়ো হওয়া বাড়িগুলোর ভিতরে সেই প্রথম পা রাখা। বৌবাজার থানার ঠিক পিছনে যে পাঁচিলঘেরা চিলতে খেলার মাঠ, তার মুখোমুখি সেই আয়ত ক্ষেত্রাকার চত্বর। গ্রীষ্মের বিকেলে এ তল্লাট এখনও হকিস্টিকের ঠোকাঠুকিতে জমজমাট হয়ে থাকে। চৌহদ্দিটা ঘিরে লাল ইটের বাড়ির দু’খানা সারি। এটাই কলকাতার বিখ্যাত বো ব্যারাক মহল্লা।
০৯ জুন, ২০১৭
Barrackpore Lady Canning's Tomb
সৃজন দে সরকার
ভারতের সামগ্রিক উন্নতির জন্য তিনি সবসময় সচেষ্ট ছিলেন। স্ত্রীর সান্নিধ্য এবং উৎসাহ পেয়েছেন কাজের ব্যস্ততার মাঝেই। এই উপমহাদেশে তিনিই প্রথম কাগজের মুদ্রার প্রচলন করেন। মাতলা নদীর তীরে একটি আধুনিক বন্দর তৈরির স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি।
০৬ জুন, ২০১৭
আরও খবর
আপনার পছন্দ