সমাজমাধ্যমে সোনা-রুপোর অলঙ্কার দেখিয়ে বিপাকে পড়লেন নেটপ্রভাবী তরুণী। বাড়ি থেকে চুরি গেল কয়েক লক্ষ টাকার গয়না-সহ মূল্যবান সামগ্রী। একসময় তিনি তাঁর বিপুল সোনার গয়না এবং বিলাসবহুল জীবনযাপনের ভিডিয়ো করে তা নেটমাধ্যমে তুলে ধরতেন। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। সেই ভিডিয়োগুলিই কাল হয়ে দাঁড়াল বলে মত নেটাগরিকদের। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা ও নেটপ্রভাবী রচনা গুর্জরের বাড়ি থেকে চোরেরা লুট করে নিয়ে গিয়েছে সমস্ত গয়না! সেই ঘটনার জেরে শিরোনামে এসেছেন খ্যাতনামী এই বিষয়স্রষ্টা।
রচনা তাঁর পারিবারিক জীবন, গ্রামের জীবন, দৈনন্দিন কার্যকলাপগুলি ভিডিয়োর মাধ্যমে দর্শকের কাছে তুলে ধরতেন। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল তাঁর দামি দামি গয়নার প্রদর্শন। এ কারণেই তাঁর ভিডিয়োগুলি ভাইরাল হয়ে যায় এবং সমাজমাধ্যমে মানুষ তাঁকে চিনতে শুরু করেন। তিনি ঘুণাক্ষরেও টের পাননি এই ভিডিয়োই তাঁর জীবনে সর্বনাশ ডেকে আনবে। সম্প্রতি রচনার বাড়িতে একটি বড় চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। মধ্যপ্রদেশের শিবপুরী জেলায় তাঁর বাড়ি থেকে প্রায় ৭ থেকে ৮ লক্ষ টাকার জিনিসপত্র চুরি হয়েছে। সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে, গভীর রাতে চোরেরা সীমানার পাঁচিল কেটে বাড়িতে ঢোকে। এর পর তারা বাইরে থেকে ঘরটি তালাবন্ধ করে দেয়। শুধু তাই নয়, ঘটনাটি যাতে রেকর্ড না হয়, সে জন্য বাড়িতে লাগানো সিসিটিভির দিক পরিবর্তন করে দেওয়া হয়েছিল। সকালে ঘুম থেকে উঠে পরিবারটি দেখে যে, ঘরের দরজা বাইরে থেকে তালা দেওয়া। বাড়ি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকার জিনিসপত্র উধাও হয়ে গিয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।
চুরির পর সমাজমাধ্যমে সেই ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ার পর নতুন করে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে রচনাকে ঘিরে। নেটাগরিকদের অনেকেই বলছেন রচনা যদি এত গয়না আর বাড়ির সাজসজ্জা দেখান, তাহলে তা ভুল লোকের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেই। সমালোচকদের মুখ বন্ধ করতে এই ঘটনা প্রসঙ্গে রচনা বলেন যে, নিজের কষ্টার্জিত টাকা দেখানো কোনও ভুল নয় এবং চুরির জন্য কেবল চোরকেই দায়ী করা উচিত, তাঁকে নয়।