Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৯ নভেম্বর ২০২১ ই-পেপার

বিএড বিতর্ক

ভর্তিতে টাকা, পার্থ বললেন পুলিশে জানান

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ৩১ জুলাই ২০১৪ ০২:২২

নদিয়ার ভক্তবালা বিএড কলেজে টাকার বিনিময়ে ছাত্র ভর্তির ঘটনায় কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়কে আগেই কাঠগড়ায় তুলেছিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এ বার তিনি বললেন, ওখানে ছাত্র ভর্তিতে টাকার লেনদেন হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট পড়ুয়ারা যেন পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। ভর্তির জন্য অনৈতিক ভাবে টাকা দেওয়া হয়েছে কেন, সেই প্রশ্ন তুলে মন্ত্রী এর আগে অবশ্য দোষারোপ করেছিলেন পড়ুয়াদেরই।

শিক্ষামন্ত্রী বুধবার বলেন, “ওঁরা (সংশ্লিষ্ট ছাত্রছাত্রীরা) যে-অভিযোগ করেছেন, সবই সংবাদমাধ্যমে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে। কিন্তু টাকা লেনদেনের প্রমাণ থাকলে তাঁদের থানায় গিয়ে অভিযোগ জানানো উচিত।” কলকাতার আশুতোষ ও জয়পুরিয়া কলেজে ছাত্র ভর্তির ক্ষেত্রে টাকার লেনদেন নিয়ে ইতিমধ্যেই পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য রতনলাল হাংলু এ দিন শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। তাঁদের মধ্যে মূলত ভক্তবালা বিএড কলেজে ছাত্র ভর্তিতে অনিয়ম নিয়েই আলোচনা হয় বলে শিক্ষা দফতর সূত্রের খবর। পরে শিক্ষামন্ত্রী জানান, ওই বিএড কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছে রাজ্য সরকার। পার্থবাবু জানান, তদন্ত রিপোর্ট সম্পর্কে কল্যাণীর উপাচার্যকে সব কিছুই জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, ওই ঘটনায় যারা দোষী, তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে। কিন্তু কাদের দোষী বলে চিহ্নিত করা হয়েছে, শিক্ষামন্ত্রী বা উপাচার্য কেউই এ দিন তা জানাতে চাননি।

Advertisement

কয়েক মাস আগে কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে ভক্তবালা বিএড কলেজের ১৭ জন ছাত্রছাত্রী লিখিত ভাবে অভিযোগ জানান, মোটা টাকার বিনিময়ে তাঁদের ওই পাঠ্যক্রমে ভর্তি হতে হয়েছে। কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক তথা তৃণমূল ছাত্র পরিষদ (টিএমসিপি)-এর নেতা তন্ময় আচার্যের মাধ্যমে ওই টাকার লেনদেন হয়েছিল বলে জানিয়েছিলেন অভিযোগকারীরা। শিক্ষামন্ত্রী অবশ্য ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন, বিএডে ভর্তির ক্ষেত্রে ঠিকমতো নজরদারিই ছিল না কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের। তাঁর অভিযোগ, বিএড কলেজগুলির উপরে নজরদারির ক্ষেত্রে শিথিলতা ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফেই।

এই পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষামন্ত্রী এ দিন ভুক্তভোগী ছাত্রছাত্রীদের পুলিশে অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দিয়েছেন। কী ভাবছেন ছাত্রছাত্রীরা? অভিযোগকারী এক পড়ুয়া এ দিন বলেন, “শিক্ষামন্ত্রী ঠিক কী বলেছেন, জানি না। আর এই ব্যাপারে আমি একা কোনও প্রতিক্রিয়াও দেব না। পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করব কি না, ভুক্তভোগী সকলে কথা বলে সেই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেব।”

আরও পড়ুন

Advertisement