Advertisement
০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

খাঁটুরা শিল্পাঞ্জলি সংস্থার নৃত্যনাট্য প্রশিক্ষণ শিবির

প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকায় বসবাস করা অথনৈতিক ভাবে অনগ্রসর ছাত্রছাত্রী জন্য নৃত্যনাট্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করল গোবরডাঙার সাংস্কৃতিক সংস্থা ‘খাঁটুরা শিল্পাঞ্জলি’। এই সব ছেলেমেয়েরা কখনওই কোনও নাচগানের অনুষ্ঠানে যোগদানের সুযোগ পায় না। কিন্তু তাদেরকেই সংস্কৃতিমনস্ক করে তোলার চেষ্টায় বহু দিন ধরে গ্রামীণ এলাকার স্কুলে গিয়ে সেখানকার পড়ুয়াদের নাচ-গান শেখানোর ব্যবস্থা করে খাঁটুরা শিল্পাঞ্জলি।

চলছে গানের প্রশিক্ষণ।

চলছে গানের প্রশিক্ষণ।

নিজস্ব সংবাদদাতা
গোবরডাঙা  শেষ আপডেট: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০১:৫৪
Share: Save:

প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকায় বসবাস করা অথনৈতিক ভাবে অনগ্রসর ছাত্রছাত্রী জন্য নৃত্যনাট্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করল গোবরডাঙার সাংস্কৃতিক সংস্থা ‘খাঁটুরা শিল্পাঞ্জলি’। এই সব ছেলেমেয়েরা কখনওই কোনও নাচগানের অনুষ্ঠানে যোগদানের সুযোগ পায় না। কিন্তু তাদেরকেই সংস্কৃতিমনস্ক করে তোলার চেষ্টায় বহু দিন ধরে গ্রামীণ এলাকার স্কুলে গিয়ে সেখানকার পড়ুয়াদের নাচ-গান শেখানোর ব্যবস্থা করে খাঁটুরা শিল্পাঞ্জলি।

Advertisement

২১ ফেব্রুয়ারি সংস্থার উদ্যোগে গাইঘাটার চৌগাছা মডেল অ্যাকাডেমি স্কুলে শুরু হয়েছে স্কুলভিত্তিক নৃত্যনাট্য প্রশিক্ষণ শিবির। ওই স্কুলের পঞ্চাশজন আগ্রহী পড়ুয়াকে বেছে নিয়ে দক্ষ প্রশিক্ষকদের দ্বারা ৩১ মার্চ পর্যন্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রতি সপ্তাহের শুক্র-শনিবার চলবে প্রশিক্ষণ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গাইঘাটার বিডিও পার্থ মণ্ডল, গোবরডাঙা পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান অসীম তরফদার, গাইঘাটা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুব্রত সরকার, চৌগাছা মডেল অ্যাকাডেমির সম্পাদক অশোকতরু বিশ্বাস প্রমুখ। ওই দিনই একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল। বিষয় ছিল ‘শিল্প ও সংস্কৃতি জীবনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।’ নৃত্যনাট্য প্রশিক্ষণ শিবিরের মাধ্যমেই খাঁটুরা শিল্পাঞ্জলি সংস্থার ২৮ তম বার্ষিক উৎসবেরও সূচনা হয়েছে।

সংস্থার সম্পাদক মলয়কুমার বিশ্বাস বলেন, “প্রশিক্ষণ শিবিরে মেডিটেশন ও শরীরচর্চাও করানো হচ্ছে পড়ুয়াদের। শিবির শেষে শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘বঙ্গ আমার জননী আমার’ নামে একটি নৃত্যনাট্য প্রস্তুত করা হবে। সেটি আমাদের বার্ষিক উৎসবে পরিবেশিত হবে।” এপ্রিল মাসে সংস্থার তিন দিনের বার্ষিক উৎসব আয়োজিত হবে গোবরডাঙা খাঁটুরা উচ্চ বিদ্যালয়ে। মলয়বাবু জানান, শিবিরের উদ্দেশ্য, গ্রামে-গঞ্জে শিল্প-সংস্কৃতির প্রসার ও ছাত্রছাত্রীদের শিল্পমনস্ক করে তুলে তাদের মধ্যে সহজাত প্রতিভা বিকশিত করা।

Advertisement
(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement
Advertisement

Share this article

CLOSE
Popup Close
Something isn't right! Please refresh.