কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে চাকরি ফিরে পেলেন দুই জন প্রাথমিক শিক্ষক। বুধবার এমনই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ওই দুই শিক্ষকের বেতন আবার চালু করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
প্রাথমিক মামলায় গত বছর চাকরি গিয়েছিল ২৬৮ জনের। এ নিয়ে হাই কোর্টে পাল্টা আবেদন করেন ১৪৬ জন। এঁদের মধ্যে বুধবারই চাকরি গিয়েছে ১৪৩ জনের। বাকি ৩ জনের মামলার শুনানি ছিল। সেই শুনানিতে প্রাথমিকের দুই শিক্ষক তরুণ কারক এবং প্রসেনজিৎ ভট্টাচার্যকে চাকরিতে বহাল রাখার নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। পাশাপাশি, ওই দুই শিক্ষকের বেতন আবার চালু করার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। নথি খতিয়ে দেখে আবার শুনানি হবে এক জন আবেদনকারীর।
আরও পড়ুন:
-
‘চাকরি হয়ে যাবে, পর্ষদ সভাপতির সঙ্গে দেখা করুন’, ফোন এসেছিল পরীক্ষার্থীর কাছে!
-
প্রাথমিকে আবার ১৪৩ জনের চাকরি বাতিল! বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ, বেতন বন্ধ করুন
-
সিয়াচেনের কনকনে ঠান্ডায় ১৬ হাজার ফুট উচ্চতায় ভারতের প্রথম মহিলা সেনা! কে এই শিবা চৌহান?
-
দিল্লি নয়, পন্থকে বুধবারই এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে অন্যত্র, বাকি চিকিৎসা হবে সেখানেই
গত বছর বেআইনি ভাবে নিয়োগের অভিযোগে ২৬৮ জন প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিল করেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ওই ২৬৮ জনকে একটি ভুল প্রশ্নের জন্য এক নম্বর দিয়ে পাশ করানো হয়েছিল। এর পর প্রশ্ন ওঠে ওই এক নম্বর পাইয়ে দেওয়া নিয়েই। অভিযোগ ওঠে, টাকার বিনিময়ে চাকরি পেয়েছিলেন ২৬৮ জন। তা নিয়ে পাল্টা মামলা দায়ের হয়। বুধবার দুই শিক্ষক তরুণ এবং প্রসেনজিৎ হাই কোর্টে যুক্তি দেন, নম্বর ভুল নিয়ে তাঁরা আগে মামলা করেছিলেন। তখন হাই কোর্টের নির্দেশেই তাঁরা ৬ নম্বর পেয়েছিলেন। ফলে চাকরিতে তাঁরা যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। এই যুক্তিতে তাঁদের পুনর্বহালের নির্দেশ দেয় আদালত।